টসে জিতে আগে ব্যাটিংই নিতে চেয়েছিলেন এইডেন মার্করাম। আফগানিস্তানের কাছে টস হারায় সাউথ আফ্রিকাকে আগে বোলিংয়ে নামতে হয়। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বারবার পরাজয়ের ভূত ঘাড় থেকে নামাতে জ্বলে ওঠেন প্রোটিয়া বোলাররা। প্রতিপক্ষ ব্যাটিং অর্ডারের কোমর ভেঙে জয়ের নায়ক বনে যান মার্কো জানসেন।
ম্যাচের প্রথম ওভারে রানের খাতা না খোলা রাহমানুল্লাহ গুরবাজকে ফেরান এ পেসার। নিজের দ্বিতীয় ওভারে গুলবাদিন নাইবের স্টাম্প ভেঙে দেন। নাঙ্গিয়াল খারোতি জানসেনের বলে কুইন্টন ডি ককের গ্লাভসবন্দি হয়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন।
৩ ওভারে ১৬ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা জানসেন। ৩২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বআসরে অবশেষে ফাইনালের টিকিট কেটেছে সাউথ আফ্রিকা। পথে দলটির পরিকল্পনা কেমন ছিল, সেটি জানালেন জানসেন।
‘অসাধারণ অনুভূতি। ছেলেরা সত্যিই ভালো খেলেছে, আমরা নিখুঁতভাবে কাজগুলো করেছি। আমরা শুধু নিজেদের পরিকল্পনায় অটল থাকতে চেয়েছিলাম।’
ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর ব্রায়ান লারা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট যে বোলারদের সহায়তা করেছে, প্রোটিয়া পেসার সেটি বলতেও দ্বিধা করেননি। তার ভাষ্য, ‘উইকেট আমাদেরকে কাজ করার জন্য কিছু দিয়েছে। আমরা কাজটা সহজভাবে করতে চেয়েছিলাম।’
হ্যান্সি ক্রনিয়ে, শন পোলক, গ্রায়েম স্মিথ, এবি ডি ভিলিয়ার্স, ফ্যাফ ডু প্লেসিসরা যা পারেননি, সেটা করে দেখালেন এইডেন মার্করাম। সামনে থেকে দারুণভাবে নেতৃত্বভার সামলে সাউথ আফ্রিকাকে দুঃসহ বেদনার পথ পাড়ি দিয়ে শিরোপার একদম কাছে নিলেন।
অধিনায়ককে নিয়ে তাই প্রশংসায় মাতছেন জানসেন। ফাইনালে যাওয়ার আনন্দটা উদযাপনের বার্তার সঙ্গে দিয়ে রাখলেন। বললেন, ‘একজন অধিনায়ক হিসেবে তিনি অসাধারণ। আমরা আজ রাতে উপভোগ করব এবং তারপর আবার আমাদের পথে এগোব।’









