ভারত শাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলার ঘটনার প্রতিবাদে কাশ্মীর জুড়ে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। ঘটনার পরে গত মঙ্গলবার রাতভর ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। সেনা অভিযানে নিহত হয়েছেন সশস্ত্র গোষ্ঠীর দুই সদস্য।
বিবিসি জানিয়েছে, এর প্রভাব পড়েছে ওই অঞ্চলের গণপরিবহন ব্যবস্থায়ও। পহেলগামের ওই হামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। জানা গেছে, দেশটির ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনআইএ) একটি দল ইতোমধ্যেই শ্রীনগরে পৌঁছেছে এবং আরও কয়েকটি টিমের সেখানে যাওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি, দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও পহেলগাম পরিদর্শনে যাবেন।
এদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা বারামুল্লা জেলায় সন্দেহভাজন জঙ্গিদের একটি হামলা ঠেকিয়ে দিয়েছে। সেই সময় সময় সেনাবাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে। মঙ্গলবার যেখানে বন্দুকধারীদের হামলার ঘটনা ঘটে, সেই পহেলগাম থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে বারমুল্লা অবস্থিত।
ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লাইন অব কন্ট্রোল বা সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছাকাছি ওই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এই নিয়ন্ত্রণে রেখা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীরকে বিভক্ত করেছে। সেখান থেকে ‘বিপুল অস্ত্র, গোলাবারুদ’ উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সেনাবাহিনী।
হামলার ঘটনায় পাকিস্তান থেকে প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। একটি বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হামলার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছে বলেছেন, পর্যটকদের প্রাণহানির ঘটনায় তারা খুব উদ্বিগ্ন। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, বলে প্রার্থনার কথা জানিয়েছেন ওই মুখপাত্র।









