ঘরের মাঠে ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে অভিষেক শেখ মেহেদী হাসানের। এবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে গেছেন ২৯ বর্ষী অফস্পিন অলরাউন্ডার। জাতীয় দলে নিয়মিত সতীর্থ হিসেবে পান দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। যার মধ্যে বিশ্বসেরা সাকিবকে আদর্শ মানেন মেহদী, আর ফিনিশার হিসেবে পছন্দ করেন মাহমুদউল্লাহর ব্যাটিং।
বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করছে বিসিবি। দলের সঙ্গে থাকা কোচ এবং খেলোয়াড়রা জানাচ্ছেন নিজেদের কথা। সোমবার প্রকাশিত ভিডিওতে কথা বলেছেন শেখ মেহেদী।
২০২১ সালে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেললেও ২০২২ সালে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছিলেন মেহেদী। ২০২৩ সালে আবারও ফেরেন। একবছর পর জাতীয় দলে ফেরাটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। বলেছেন, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড় হিসেবে আমরা যারা সারাবছর কষ্ট করি, আর সামনে যদি একটা বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট থাকে, ওইটা নিয়ে একজন খেলোয়াড়ের মধ্যে আসলে উত্তেজনা কাজ করে। বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে যুক্ত থাকাটা একটি গৌরবের বিষয়। যা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’
‘দল থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি আসলে সকল খেলোয়াড়ের জন্যই খারাপ লাগার একটি বিষয়। আমার ক্ষেত্রেও একইরকম ছিল, তবে দলে ফেরাটা অনেকবেশি চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু আবারও ফিরতে পেরেছি।’
জাতীয় দল সতীর্থ ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিবকে আদর্শ মানেন মেহেদী, তবে ব্যাটিং ভালো আগে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহর।
‘সত্যি বলতে ছোট সময় থেকে যখন ক্রিকেট বুঝি, সাকিব ভাইয়ের খেলা দেখতে আমার খুব ভালো লাগত। আর নিজেকে সাত-আটে ব্যাটিং করার জন্য যখন তৈরি করছিলাম, তখন রিয়াদ ভাইয়ের ব্যাটিংটা আমার খুব ভালো লাগত। একজন ফিনিশার হিসেবে। বিষয়টা এমনই। বলতে পারেন সাকিব ভাই আমার আইডল, রিয়াদ ভাইয়ের ব্যাটিং আমার খুব ভালো লাগে।’
ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়ে মেহেদী বলেছেন, ‘বয়সের দিক থেকে রিয়াদ ভাই সবচেয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন খেলোয়াড়। রিয়াদ ভাইয়ের সাথে আমরা খুবই বন্ধুত্ব সম্পর্ক নিয়ে মিশে থাকি। তিনিও আমাদের সঙ্গে মজা-ঠাট্টা করেন। এটাই আমাদের ড্রেসিংরুমের মূল পরিবেশ। এখানে সিনিয়র-জুনিয়র বলতে আলাদা কিছু নেই, সবাই সবার সঙ্গে মজা করে সময় কাটায়। আর কাজের সময় খুবই সিরিয়াস থাকি।’








