বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে সোমবার (৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম শেখ হাসিনার অবস্থান জানার চেষ্টা করে তার ছেলে ও সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) দেশ ছাড়তে চাননি, আমরা এক প্রকার জোর দিয়ে তাকে দেশত্যাগ করতে বলি। আমরা তার শারীরিক অবস্থাসহ তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলাম। তাই আমরা তাকে দেশ ছাড়তে রাজি করাই।
জয় আরও বলেন, আজ সকালে আমার মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছেন। তার পদত্যাগের পর দেশের এমন করুণ অবস্থা দেখে তিনি খুব হতাশ। তিনি বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করা স্বপ্ন দেখেছিলেন। গত ১৫ বছর ধরে এ জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন তিনি।
শেখ হাসিনা পদত্যাগের পর ঢাকা থেকে ভারতের আগরতলায় যান এবং সেখান থেকে দেশটির রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি যুক্তরাজ্যে যাবেন বলে শোনা যাচ্ছে। তিনি ঠিক কতদিন ভারতে থাকবেন বা কবে যুক্তরাজ্যে যাবেন তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে জানা গেছে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় না পাওয়া পর্যন্ত ভারতেই অবস্থান করবেন তিনি।
গত জানুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচনে জয় নিয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় আসেন শেখ হাসিনা। তবে কোটা সংস্কার ঘিরে জুন মাসে শুরু হওয়া ছাত্র বিক্ষোভ জুলাইয়ের শেষ ও আগস্টের শুরুর দিকে ব্যাপক সরকারবিরোধী আন্দোলন রূপ নিলে মাত্র সাত মাস পরই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয় শেখ হাসিনা সরকার।








