লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ক্যান্ডি ফ্যালকনসের হয়ে আগের ম্যাচগুলো ভালো করলেও জাফনা কিংসের বিপক্ষে ছন্দ হারিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। টাইগার পেসারের বাজে দিনে সেঞ্চুরি তুলেছিলেন পাথুম নিশাঙ্কা। তবে দুই শতাধিক রানের লক্ষ্যতাড়ায় নেমে শেষ হাসিটা হেসেছে শরিফুলের দলই। দিনেশ চান্দিমাল ও কামিন্দু মেন্ডিসের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটে জিতেছে ক্যান্ডি।
ডাম্বুলায় টসে জিতে জাফনাকে ব্যাটে আমন্ত্রণ জানায় ক্যান্ডি। নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেটে ২২৪ রান তোলে জাফনা। জবাবে নেমে ১০ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে ফ্যালকনস।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বলে এসেছিলেন শরিফুল। প্রথম চার বলে বাউন্ডারি হজম করেননি। শেষ দু-বলে টাইগার পেসারের উপর চড়াও হন নিশাঙ্কা। পঞ্চম বলে ছক্কা ও শেষ বলে চার হাঁকান। ১৪ রান খরচ করে বসেন শরিফুল।
পঞ্চমওভারে দ্বিতীয়বার বলে আসেন শরিফুল। দুটি চার হজম করে এ ওভারে খরচ করেন ১১ রান। ১৬তম ওভারে নিজের তৃতীয় ওভারে আসেন শরিফুল। এই ওভারে নিশাঙ্কার সামনে রীতিমত বিধ্বস্ত হন। প্রথম বলে দু্ই রান, দ্বিতীয়টি ডট এবং তৃতীয়-চতুর্থ বলে ছক্কা, পঞ্চম ও শেষ বলে চার হজম করেন শরিফুল। ২২ তুলে নেন নিশাঙ্কা।
ষোলোতম ওভারের তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নিশাঙ্কা। ৫২ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পথে ছিল ৩টি ছক্কা ও ১৩টি চার। এর আগে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে শরিফুলকে চার মেরে ২১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন নিশাঙ্কা। শেষঅবধি ১৬টি চার ও ৪টি ছক্কার মারে ৫৯ বলে ১১৯ রান করেন নিশাঙ্কা।
বাকিদের মধ্যে রাইলি রুশো চার ছক্কা ও দুই চারে ১৮ বলে ৪১ রান করেন। ২৩ বলে ২৬ রান করেন কুশল মেন্ডিস।
ডাম্বুলা বোলারদের হয়ে দাসুন শানাকা তিনটি এবং দুশমন্থ চামিরা ও রামেশ মেন্ডিস দুটি করে উইকেট নেন।
পাহাড়সম সংগ্রহ তাড়ার লক্ষ্যে নেমে ঝড় তোলেন দিনেশ চান্দিমাল। আটটি চার ও সাতটি ছক্কায় ৩৭ বলে ৮৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার আগে অবশ্য আন্দ্রে ফ্লেচার (৬ বলে ১৩) ও মোহাম্মদ হারিসকে (১৮ বলে ১৫) হারায় ক্যান্ডি। পরে আঞ্জেলো ম্যাথুজকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করে কামিন্দু মেন্ডিস।
পাঁচটি চার ও চারটি ছক্কায় ৩৬ কলে ৬৫ রান করেন মেন্ডিস। দুটি করে চার ও ছক্কায় ১৩ বলে ২৯ রান করেন ম্যাথুজ।
জাফনার হয়ে তাবরাইজ শামসি দুটি এবং প্রমোধ মাধুশান একটি উইকেট নেন।









