এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে দারুণ সূচনা করেছে আফগানিস্তান। যে কোনো প্রতিপক্ষের জন্যই যা ভয়ের কারণ। তবে বাংলাদেশকে সমীহ করছেন আফগান তারকা রশিদ খান। ভীতি আছে সাকিবে। বাংলাদেশ অধিনায়ক পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন ম্যাচে, জানা আছে রশিদের। ম্যাচের আগে তাই কথাবার্তায় টেনেছেন লাগাম।
গত ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮ উইকেটের দাপুটে জয় পেয়েছে আফগানিস্তান। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটে বাংলাদেশের থেকে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের বিচারে এগিয়ে দলটি। বিশ্বের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ গুলোতে নিয়মিত ক্রিকেট ফেরি করেন দলটির বেশকিছু ক্রিকেটার। সেখানে সাকিব-মোস্তাফিজ ছাড়া বাকিদের খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বাংলাদেশের যেখানে মাথা ব্যথার কারণ ২০ ওভারি ক্রিকেট, সেখানে আফগান দলটির প্রায় সব ক্রিকেটাররাই টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট উপভোগ করেন বলে জানিয়েছেন রশিদ।
‘আমাদের দলটি বেশ তারুণ্য নির্ভর। অধিকাংশ ক্রিকেটাররাই এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটটি উপভোগ করে। তবে আমরা অনেক দিন পর শারজাহতে খেলছি, দলের সবাই তাদের ভূমিকা জানে। আমরা দেরাদুনের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বাইরে খেলছি, চার বছর হয়ে গেছে। যারা ভালো ক্রিকেট খেলবে এবং নিজেদের স্নায়ু নিয়ন্ত্রণ করবে, তারাই জিতবে।’
সম্প্রতি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি সিরিজ হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশায় বাংলাদেশ। যেখানে পরিবর্তন এসেছে বেশ কিছু জায়গায়। অধিনায়ক করা হয়েছে সাকিব আল হাসানকে। এই ফরম্যাটে শততম ম্যাচে খেলতে নামার অপেক্ষায় আছেন তিনি। অন্যদিকে আফগানিস্তানের সাথে ম্যাচ হারের পর লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা বাংলাদেশকে দুর্বল প্রতিপক্ষ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তবে শানাকার সাথে এক মত নন তিনি। সাকিবে ভীতি রয়েছে তার।
‘আগামীকাল শারজাহতে ভিন্ন অবস্থা হতে পারে। সাকিব দলটির অধিনায়ক এবং সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। এটি একটি বিশাল পার্থক্য তৈরি করে। তবে আমরা আমাদের ক্রিকেট নিয়ে ভাবছি। এটা সব ক্রিকেটারদের মনের মধ্যে রয়েছে। আগামীকালের ভূমিকা নিয়ে আমরা অবগত। তাদের পরাজিত করতে পারব কি না জানি না। ফলাফল সম্পর্কে ভাবছি না। আমাদের কাছে দুর্বল বা শক্তিশালী প্রতিপক্ষ বলে কিছু নেই। প্রতিপক্ষকে গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছি আমরা। হংকং বা ভারতের বিপক্ষেও আমাদের প্রস্তুতি একই থাকবে।’







