ঈদুল আজহায় মুক্তিপ্রাপ্ত মেগাস্টার শাকিব খানের ‘তুফান’ ছবির রমরমা অবস্থা বিরাজ করছে মার্কিন মুলুকেও।
বাংলাদেশের মতো সেখানেও টিকেট সংকট! ২৮ জুন ‘তুফান’ মুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের সবগুলো শো-ই হাউজফুল গেছে। শুধু তাই নয়, মজার ব্যাপার হচ্ছে থিয়েটারের আয়তনের চেয়েও বেশি দর্শক আসায় অনেকে ফ্লোরে বসে ‘তুফান’ দেখেছেন।
রায়হান রাফী পরিচালিত ‘তুফান’ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পরিবেশন করছে বায়োস্কোপ ফিল্মস। সপ্তাহ ব্যাপী দেশটির ১০ রাজ্যে ২২টি থিয়েটারে চলছে ‘তুফান’।
বায়োস্কোপ ফিল্মসের কর্ণধার রাজ হামিদ জানান, , প্রচুর দর্শক টিকিট কাটতে না পেরে ফেরত গেছেন।
তিনি বলেন, ছয় বছর ধরে ৪৫টি সিনেমা দেখিয়েছি। প্রথম দিনেই এতো হল হাউজফুল আগে কখনো হয়নি। আশা করছি, যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি দেয়া বাংলাদেশের অতীতের সকল সিনেমার রেকর্ড ‘তুফান’ ভাঙবে। আমরা সব দর্শককে অনুরোধ করছি, হলে যাওয়ার আগে অনলাইনে টিকিট কাটতে। নইলে সরাসরি থিয়েটারে এলে টিকেট পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
নিউ ইয়র্ক প্রবাসী ফারজানা আক্তার ‘তুফান’ দেখে এক ভিডিওবার্তায় বলেছেন, অনেকে ‘তুফান’ দেখতে না পেরে ফিরে গেছে। অনেকে থিয়েটারের মধ্যে সিট না পেয়ে ফ্লোরে বসেও ‘তুফান’ দেখেছে। নিউ জার্সি থেকে দুই ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে ফ্যামিলিসহ কেউ কেউ নিউ ইয়র্কে ‘তুফান’ দেখতে এসেছে। এদেশে বাংলা ছবির এমন অবস্থা আমাদের গর্বিত করেছে।
বায়োস্কোপ ফিল্মসের পক্ষে জানা যায়, ১২ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪০টি শহরে ‘তুফান’ প্রদর্শিত হবে।
শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সুইডেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর ১৬টি দেশে একযোগে চলছে ‘তুফান’।
মুক্তির দুই সপ্তাহেই শাকিব খানের এ ছবিটি ইতোমধ্যে ব্লকবাস্টার হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। ৫ জুলাই বড় পরিসরে ভারতে মুক্তি পাচ্ছে এ ছবি।
পরিচালক রায়হান রাফী বলেন, ‘তুফান’ ইন্ডাস্ট্রি হিটের পথে আগাচ্ছে। বিদেশ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া আসছে। দুই সপ্তাহ হতে চললেও এখনো আমাদের দেশের মানুষ সিনেপ্লেক্সে টিকেট পাচ্ছে না। দুদিন আগে টিকেট নিলে তখন মন মতো শো ও সিট পাওয়া যাচ্ছে। এই আনন্দে সকল দর্শকদের কাছে তুফান টিম কৃতজ্ঞ।
আলফা আই-এর প্রযোজনায় শাকিব খান ছাড়াও ‘তুফান’র বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাবিলা, মিমি, চঞ্চল চৌধুরী, মিশা সওদাগর, গাজী রাকায়েত, ফজলুর রহমান বাবু, গিয়াস উদ্দিন সেলিম প্রমুখ।









