সারাদেশের সিনেমাপ্রেমীরা ‘তুফান’ ঝড়ে মেতে আছেন। শুক্রবার থেকে প্রবাসীরাও মজেছেন শাকিব খান অভিনীত এ ছবির উন্মাদনায়। দর্শকদের বাঁধভাঙা উল্লাস অনুভব করছেন জনপ্রিয় এ নায়ক।
দেশ ও বিদেশ থেকে ‘তুফান’ যে সাফল্য বয়ে আনছে এতে করে বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি নতুন করে জেগে উঠেছে। অনেকেই বলছেন, এই কৃতিত্ব শাকিবের। তবে শাকিব নিজেই বললেন, এই সাফল্য আমার একার নয়, পুরো ইন্ডাস্ট্রির।
নিজের প্রতিষ্ঠান রিমার্ক হারল্যানকে নতুন পরিবার মনে করেন শাকিব। এই পরিবারের চার শতাধিক সদস্যদের নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্টার সিনেপ্লেক্সে মহাখালী শাখার দুটি থিয়েটার বুকিং করে রায়হান রাফী পরিচালিত ‘তুফান’ দেখলেন এই সুপারস্টার।
আড়ম্বরপূর্ণ এই আয়োজনের প্রধান পৃষ্টপোষক ছিল দেশের শীর্ষস্থানীয় বিউটি ব্র্যান্ড লিলি। শো প্রসঙ্গে শাকিব বলেন, রিমার্ক-হারল্যান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে, লিলির সৌজন্যে সবাই ‘তুফান’ দেখে উচ্ছ্বসিত। তারা ঈদের আগে আবদার করে বলেছিল, তুফান দেখতে চাই। অবশেষে সিনেমা দেখে তারা গর্বিত হয়েছে এটা আমাকে অনেক বেশি আনন্দ দিয়েছে।
সিনেমা দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাকিব খান বলেন, দেশের সিনেমা বিদেশে ভালো ব্যবসা করার যে স্বপ্ন, সেটা পূরণে আমরা এবার আরও এগিয়ে গেলাম। এই সাফল্যটা আমার একার নয়, এই সিনেমা সংশ্লিষ্টদের নয়, বরং পুরো সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি এতে লাভবান হয়েছে। তাই বাংলার সকল মানুষ এই সফলতার দাবিদার।
শাকিব খান আরও বলেন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ৪৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় আমরা হাসিমুখে শুটিং করেছিলাম। সেটার ফলাফল এখন পাওয়া যাচ্ছে। দর্শকরা দেখে খুশি হচ্ছে। আমাদের পুরো টিমের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।
তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় সার্থকতা যেটা অনুভব করছি বাংলাদেশের বাইরে দুবাই, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াতেও ‘তুফান’ নিয়ে অনেক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। এমনকি আগাম টিকিট সোল্ড আউট হচ্ছে। এ সাফল্য আমাকে যেমন অনুপ্রাণিত করেছে, তেমনি আরো ভালো সিনেমা করার দায়িত্ববোধ বাড়িয়েছে। তাই বলতে চাই, সামনে যে মুভিগুলো করবো সেগুলো কোনভাবেই তুফানের চেয়ে কম হবে না।









