চিত্রতারকা শাকিব খানের মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘দরদ’ ছবির গান ও ট্রেলার একইদিনে প্রকাশ হয়েছে। গেল সোমবার সন্ধ্যায় এ ছবির হিন্দি ও বাংলা গান আসার ৩ ঘণ্টা পরে আসে ট্রেলার। এরপর সিনেপ্রেমীরা একসঙ্গে গান ট্রেলার দিয়ে রীতিমত জমিয়ে দিয়েছেন এ সুপারস্টার।
ছবির পরিচালক অনন্য মামুন কেন গান বা ট্রেলার দিচ্ছিলেন না এ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় শাকিব খানের ভক্তদের কাছে ট্রল হচ্ছিলেন। কিন্তু একসঙ্গে গান ট্রেলার আসার পর তারাই উচ্ছ্বসিত হন। প্রকাশের ঘণ্টাখানের মধ্যে হিন্দি-বাংলা দুই গানই ট্রেন্ডিং-এ উঠে আসে।
টিসিরিজের দুটি ইউটিউব চ্যানেলে আসে ‘দরদ’ এর বাংলা ও হিন্দি গান। এরমধ্যে বাংলা গানের শিরোনাম ‘এই ভাসাও’ একদিনে দেখা হয়েছে প্রায় ২ মিলিয়ন! অন্যদিকে হিন্দি ভার্সনটির শিরোনাম ‘জিসম ম্যায় তেরে’। এটি দেখেছেন ১.২ মিলিয়ন!
হিন্দি ভার্সনে ‘জিসম মে তেরে’ গেয়েছেন মোহাম্মদ ইরফান ও রুবাই। লিখেছেন ও সংগীত পরিচালনা করেছেন আরাফাত মাহমুদ। গানটির বাংলা ভার্সন ‘এই ভাসাও’ লিখেছেন গীতিকার জাহিদ আকবর। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন বালাম ও কোনাল। সংগীত পরিচালনায় আরাফাত মেহমুদ।
গানের ভিডিওতে বলিউডের সোনাল চৌহানের সঙ্গে রোমান্স করতে দেখা গেল শাকিবকে। হিন্দি গানটি প্রকাশ পেয়েছে টি সিরিজ পপ-চার্টবাস্টার ইউটিউব চ্যানেলে। বাংলা ভার্সনটি প্রকাশ পেয়েছে টি সিরিজ বাংলাতে।
এদিকে রাত ৯টায় প্রকাশ পেয়েছে সিনেমার ট্রেলার। আড়াই মিনিটের ট্রেলারে দেখা গেছে বহুরূপী শাকিবকে। যা দেখে সিনেমা প্রেমীরা বিস্মিত হয়েছেন।
ট্রেলার দেখে খুনি নাকি নিরাপরাধী সেই হিসেবে মেলাতে চেষ্টা করছেন অনেকে! নেটিজেনরা বলছেন, শাকিব অভিনয় দিয়ে হয়তো উৎরে গেছেন। যা দেখে পুরো ছবি দেখার আগ্রহ বেড়েছে দর্শকদের।

সিনেমা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে শাকিবের ভূয়সী প্রশংসা দেখা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে গান ও ট্রেলার দেখে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, আফ্রিকার ইউটিউবাররা প্রশংসা করে রিয়েকশন ভিডিও দিয়েছেন।
সাইকো থ্রিলার গল্পের সিনেমা দরদ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায়। অভিনয়েও রয়েছেন দুই দেশের শিল্পীরা। শাকিব খান, সোনাল চৌহান ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন পায়েল সরকার, রাহুল দেব, রাজেশ শর্মা, সাফা মারওয়া, ইমতু রাতিশ, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, রিও প্রমুখ।
আগামী শুক্রবার দেশের ৭০টি প্রেক্ষাগৃহে শাকিব খানের চলতি বছরের তৃতীয় ছবি ‘দরদ’। পরিচালক অনন্য মামুন বলেন, “দেশে এখন পর্যন্ত ‘দরদ’ সিনেমার প্রায় ৭০টি হল বুকিং হয়েছে এবং বাংলাদেশ-ভারতসহ বিশ্বের ২০টি দেশে চারশর বেশি হলে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।”










