সেন্ট লুসিয়া কিংসের বিপক্ষে ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। তার ২৬ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ভর করে কিংসকে দুইশতাধিক রানের লক্ষ্য দিয়েছিল অ্যান্টিগুয়া এন্ড বারবুডা ফ্যালকনস। তবে টিম শেইফার্টের অপ্রতিরোধ্য ১২৫ রানের ইনিংসে ৬ উইকেটে হার দেখেছে ফ্যালকনস।
টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে ফ্যালকনস। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২০৪ রান করে দলটি। জবাবে নেমে সেন্ট লুসিয়া ১৩ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জয় তুলে নেয়।
শেইফার্ট ১০টি চার ও ৯টি ছক্কায় ৫৩ বলে ১২৫ রান করেন। এছাড়া টিম ডেভিড ১৬ বলে ২৩ এবং আকিম আগুস্টে ১৫ বলে ১৯ রান করেন। ৯ বলে ১৭ রান করেন জনসন চার্লস।
সাকিব এদিন বল হাতে আলো ছড়াতে পারেননি। ২ ওভার বল করে ৩২ রান খরচ করেছেন। হজম করেছেন তিনটি করে চার ও ছক্কা। একটি করে উইকেট নেন জেডিন সিলস, উসামা মীর, ওডিন স্মিথ ও সালমান ইরশাদ।
এর আগে ব্যাটে নেমে ৬ ইনিংসে ৭৭ রান করা সাকিব সপ্তম ইনিংসে তাণ্ডব চালিয়েছেন। চারটি করে চার ও ছক্কায় ২০ বলে ফিফটি করেন সাকিব। টাইগার মহাতারকার ইনিংস থামে ২৬ বলে ৬১ রানে। ৫টি করে চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে ৫০ রান করেন বাউন্ডারিতে।
ভালো শুরু পায় ফ্যালকনস। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৫১ রান। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে জুয়েল অ্যান্ড্রোকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন তাবরাইজ শামসি। ২০ বলে ২৫ রান করেন জুয়েল। পরের বলে রানের খাতা খোলার আগে কারিমা গোরকে ফেরান প্রোটিয়া বোলার।
৫১ রানে দুই উইকেট হারানোর পর ব্যাটে নামেন সাকিব। আমির জাঙোর সঙ্গে জুটি গড়েন ৪৯ বলে ৯১ রানের। জুটির ৬১ রানই আসে সাকিবের ব্যাট থেকে। আমিরের ব্যাট থেকে ২৩ বলে ২৯ রান আসে।
১৪.৩ ওভারে ডেলানো পটজিটারের বলে রোস্টন চেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাকিব। ১৫৮ রানে আমিরও ফিরে যান। ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪৩ বলে ৫৬ রান করেন আমির। পরে ফ্যাবিয়ান অ্যালেন ও ওডিন স্মিথ মিলে ইনিংস শেষ করেন। ফ্যাবিয়ান ১৭ বলে ৩৮ রানে এবং ১৫ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন স্মিথ।
তাবরাইজ শামসি ৩ উইকেট নেন। ডেলানো পটজিটার নেন এক উইকেট।









