বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল সরে দাঁড়ানোয় তিন ফরম্যাটেই অধিনায়ক বনে যান সাকিব আল হাসান। এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার জানিয়েছিলেন দায়িত্ব নিতে চাননি, দেশের কথা ভেবে পিছপাও হতে পারেননি। তবে যাই হোক, বিশ্বকাপের পর দায়িত্ব ছাড়ার কথা জোর দিয়েই বলেছিলেন।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে একমাস আগে। অথচ এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেছেন, আগামীতে জাতীয় দলের প্রতিই বেশি মনোযোগী হবেন, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নয়। সাকিবের এমন মনোভাবে আশ্বস্ত হতে পেরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মঙ্গলবার মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে জাতীয় দল পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস সংবাদমাধ্যমে জানান, সাকিবকেই সব ফরম্যাটে দীর্ঘমেয়াদে নেতৃত্ব দিতে চান।
‘মিডিয়াতে তার(সাকিব) স্টেটমেন্টটা দেখেছি। অবশ্যই এটা আনন্দের ব্যাপার, এখন দেশের ক্রিকেটের উপর বেশি ফোকাস করবে বাইরের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট থেকে। এটা আমাদের জন্য বড় একটা স্বস্তিদায়ক খবর। আমরা চাই সাকিব আমাদের এখানে যতগুলো ফরম্যাট আছে, যাতে আমাদের দেশের জন্য খেলে, এটাই আমাদের কামনা। তিন ফরম্যাটেই আমরা অধিনায়ক হিসেবে আরও বেশি সময় দেখতে চাই।’
সাকিব চোটের কারণে খেলার বাইরে থাকায় নাজমুল হোসেন শান্ত ভারপ্রাপ্ত হিসেবে তিন ফরম্যাটেই দায়িত্ব পালন করছেন। জালাল ইউনুস জানালেন মূল অধিনায়ক সাকিবই থাকবেন।
‘স্টিল সে আমাদের অধিনায়ক। এখন আমরা শান্তকেই দিয়েছি। শান্তকে আমরা বলেছি যে, সামনে দুইটা সিরিজ আছে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে, যার জন্য তাকে আমরা অধিনায়কত্ব দিয়েছি। আপনারা জানেন, সাকিবকে একটা লম্বা সময়ের জন্যই অধিনায়ক দেয়া হয়েছে। সব ফরম্যাটেই সে আমাদের অধিনায়ক। সামনেও সব ফরম্যাটেই অধিনায়ক থাকবে কিনা এরকম প্রশ্ন কিন্তু এখনও ওঠেনি। আমরা চাই সেই অধিনায়ক থাকুক।’
বিসিবি পরিচালক আরও বলেছেন, ‘এমন একটা সময় আসবে যখন অবশ্যই সাকিব আর খেলা চালিয়ে যাবে না। হয়ত কোনো ফরম্যাটে খেলা কমিয়ে দিবে। তখন আমরা যাদের সম্ভাব্য ক্যাপ্টেন বলি, তাদের মধ্যে শান্ত-মিরাজ আছে। বোর্ডের কাছে মনে হয় তাদের দুজনেরই বাংলাদেশকে সামনে থেকে লিড করার মতো সক্ষমতা আছে।’







