সিলেট থেকে: রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সাকিব আল হাসান জাতীয় দল জার্সিতে ছিলেন কয়েকটি সিরিজে। সবশেষ ভারত সিরিজে খেলেছেন গতবছর। সাউথ আফ্রিকা সিরিজে দেশের মাটিতে টেস্ট খেলে বিদায় বলতে চেয়েছিলেন। দেশেই ফেরা হয়নি। পরে ইংলিশ কাউন্টিতে বোলিং অ্যাকশনের সমস্যা চিহ্নিত হয়, বল হাতে সবধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধও হয়ে আছেন। সব ছাপিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সাকিব ফিরছেন কিনা প্রশ্ন সেটি নিয়ে।
রাজনৈতিক কারণে দেশের মাটিতে ক্রিকেটে আপাতত ফেরা হচ্ছে না সাকিবের। বিদেশের মাটিতে খেলার বিষয়টি পুরোপুরি বিসিবির সিদ্ধান্ত। সঙ্গে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ লিপু জানালেন, সাকিবের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা আসেনি। সুতারং সিদ্ধান্তের বিষয়ে করতে হবে অপেক্ষা।
বুধবার সিলেটে একটি পাঁচতারকা হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন গাজী আশরাফ। জানান, সবার আগে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষায় সাকিবের উর্ত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টি আসবে।
‘সাকিবের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা আসেনি। প্রথম যে পরীক্ষা দিলেন, সেখানে তিনি উত্তীর্ণ হতে পারেননি, ভেরি শকিং। আমাকে নিশ্চিত হতে হবে তিনি ব্যক্তি পর্যায়ে আবার একটা পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছেন কিনা, এটা একটু খোঁজ নিয়ে জানতে হবে।’
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সাকিবের খেলার পথে কোনো বাধা আছে কিনা, এমন প্রশ্নে প্রধান নির্বাচক বললেন, ‘এটা আসলে আমরা নির্বাচকরা বোর্ডের কাছ থেকে জানতে চেয়েছি যে তিনি আমাদের এ প্রক্রিয়ার জন্য এভেইলেবল আছেন কিনা। সেটা এখনও আমরা উত্তর পুরোপুরি পাইনি। আংশিক একটা পেয়েছি। যেহেতু আবার একটা শোনা যাচ্ছে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। সেটার জন্যও অপেক্ষা করতে হবে। আমাদেরকে আসলে, হয়তো এভ্রি মিনিট কাউন্টস। হোপফুলি এক-দুইদিনের মধ্যে পরিষ্কার হয়ে যাবে বিষয়গুলো।’
১২ জানুয়ারির মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য আইসিসির কাছে প্রাথমিক দল দিতে হবে বিসিবিকে। গাজী আশরাফের আশা, এরমধ্যেই সাকিবের খেলা না খেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। বলেছেন, ‘সাকিব আল হাসানের ইস্যুটাও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তার জন্যও যেহেতু আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে এই ব্যাপারটার জন্য। কাজেই সময় আমার মনে হয় বড় ফ্যাক্টর না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আমাদের কাজটা সম্পাদন করতে পারবো।’









