সাকিব আল হাসানের শ্বশুর বাড়ি নারায়ণগঞ্জে হলেও তার স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরের পরিবার বহু আগেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস শুরু করে । ২০১২ সালে বিয়ের পর থেকে সেখানে নিয়মিতই যাতায়াত করেন টাইগার অলরাউন্ডার। তার সন্তানরাও সেখানেই বেড়ে উঠছে। বলাই যায়, যুক্তরাষ্ট্র সাকিবের ‘দ্বিতীয় হোম’। তাই টাইগাররা হোম ভেন্যুর সুবিধা পাবে কিনা, বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক নিজেই সেটি জানালেন।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলের সঙ্গে থাকা কোচ এবং খেলোয়াড়রা জানাচ্ছেন ভাবনা। শুক্রবার বোর্ড প্রকাশিত ‘দ্য গ্রিন রেড স্টোরি’তে কথা বলেছেন সাকিব।
যুক্তরাষ্ট্রের পিচের সঙ্গে আগে থেকেই পরিচিত বাংলাদেশ। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমর্থন পাবে বলেও আশা সাকিবের। অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেট অনেকটাই বাংলাদেশের মতো, এমনটাই মনে করেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার।
‘আমার দ্বিতীয় হোম সেটা ঠিক আছে। তবে হোম সুবিধা পাবো কিনা, সেটা বলাটা মুশকিল। আমার মনে হয় পাবো। এর আগেও আমরা যখন ফ্লোরিডাতে খেলেছি, বাংলাদেশ বেশ ভালো করেছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজও আমরা সবসময় সুবিধা পাই। কারণ ওখানকার পিচগুলো খানিকটা আমাদের মতোই হয়ে থাকে। আমি আশা করছি, দু’জায়গাতেই সুবিধা পাবো।’
‘প্রচুর বাংলাদেশি সমর্থক ওখানে অপেক্ষা করছে। আশা করি, তারা পূর্ণ সমর্থন দেবে। তাদের সমর্থনটা আমাদের কাজে আসবে। তাতে আমরা ভালো ফল করতেও সক্ষম হব। আর আমার নামের পাশে কিছু দেখতে চাই না। একটা জিনিসই শুধু চাই, বাংলাদেশের হয়ে যেন অবদান করতে পারি এবং ভালো কিছু করতে পারি।’
বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘ডি’-তে বাংলাদেশের চার প্রতিদ্বন্দ্বী সাউথ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও নেদারল্যান্ডস। গ্রুপপর্বে নিজেদের প্রথম দুটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে খেলে পরের দুটি সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে খেলবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।









