মিয়ানমারের প্রতিরক্ষা সদস্যসহ দেশটির ৩৩০ জন নাগরিককে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি আরাকান আর্মি বিরাগভাজন হলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মির সাথে চলমান সংঘর্ষে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে দেশটির সীমান্তরক্ষী-বিজিপি ও সেনাসদস্যসহ মিয়ানমারের তিনশ’র বেশি নাগরিক। রাখাইনে ছড়িয়ে পড়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর হাতে পড়লে বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মে. জে. ড. নাঈম আশফাক চৌধুরীর (অব.) মতে, বিজিপি সদস্যদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ায়, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জটিলতা হয় কিনা, তা ভেবে দেখতে হবে। বাংলাদেশ চাইলে বিজিপির সদস্যদের অনুপ্রবেশের অপরাধে অভিযুক্ত করতে পারে। সেই সাথে তারা রোহিঙ্গা গণহত্যায় জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের হত্যা, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয় রোহিঙ্গারা। সেসময় প্রাণভয়ে নিজ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয় রোহিঙ্গারা। সেসময় মানবিক দিক বিবেচনায় বিতাড়িত লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয় বাংলাদেশ।








