খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার এ আদেশ দেন।
অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে পার্বত্য জেলায় চলছে সকাল-সন্ধ্যা সড়ক অবরোধ। জুম্ম ছাত্র ও জনতার এই আন্দোলনে দূরপাল্লার সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কেও গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে টায়ার পুড়িয়ে ও গাছ কেটে সড়ক অবরোধ করা হয়েছে। আলুটিলায় একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন পর্যটকরাও, অনেকে সাজেক থেকে ফেরার পথে আটকা পড়েছেন।
শনিবার দুপুরে সদর উপজেলা এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙালি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে কয়েকজন আহত হন। একটি মসজিদের কাচ ভাঙচুরের অভিযোগও পাওয়া গেছে। বর্তমানে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক মারমা কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়। পরদিন ভুক্তভোগীর বাবা অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সন্দেহভাজন যুবক শয়ন শীলকে আটক করে পুলিশ। বর্তমানে তিনি রিমান্ডে রয়েছেন।








