আমেরিকার বেসরকারি সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করেছে দেশটির শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবির চেয়ারম্যান মাধবী পুরী বুচ এবং তার স্বামী ধবল বুচ। তাদের দাবি, এর মাধ্যমে মূলত চরিত্রহননের চেষ্টা হচ্ছে।
রোববার (১১ আগস্ট) আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি বিবৃতি দিয়ে তারা দাবি করেন, যাবতীয় অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আদানি শিল্পগোষ্ঠীর বিদেশে সরানো টাকায় অংশীদারিত্ব ছিল শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবির প্রধানের! আমেরিকার বেসরকারি সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের সাম্প্রতিক এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরেই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন শুরু হয়েছে। যদিও অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুখ খুলে হিন্ডেনবার্গের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন সেবির চেয়ারপার্সন মাধবী পুরী বুচ এবং তাঁর স্বামী ধবল বুচ।
একটি বিবৃতি দিয়ে তারা দাবি করেছেন, যাবতীয় অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’। তাদের ‘চরিত্রহনন’ করার জন্যই এমন অভিযোগ করা হয়েছে বলে দাবি করছেন তারা।
বিবৃতিতে বুচ দম্পতির সূত্রে বলা হয়, যাবতীয় আর্থিক তথ্য প্রকাশ্যে আনার বিষয়ে আমাদের কোনও সঙ্কোচ নেই। এমনকি আমরা যখন কোনও সরকারি পদে ছিলাম না, তখনকার যেকোন তথ্যও যেকোন সংস্থা খতিয়ে দেখতে পারে।
এর আগে শিল্পপতি গৌতম আদানির বিরুদ্ধে শেয়ারদর ‘ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে’ দেখানোর অভিযোগ তুলেছিল হিন্ডেনবার্গ। এই সংস্থাই শনিবার তাদের এক্স মাধ্যমে পোস্ট করে লেখে, আদানিরা বিদেশে যে টাকা সরিয়েছেন, তাতে অংশীদারিত্ব রয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা সেবির প্রধানের।
হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টে দাবি করা হয়, গৌতম আদানির ভাই বিনোদ আদানির বিদেশে থাকা সংস্থায় অংশীদারিত্ব রয়েছে সেবি প্রধান এবং তার স্বামীর। ২০১৭ সালে সেবিতে যোগ দেন মাধবী।
রিপোর্টে এ-ও দাবি করা হয়, সেই সময় সম্ভাব্য নজরদারি এড়াতে মাধবীর নামে থাকা সমস্ত বিদেশি বিনিয়োগ নিজের নামে করে নেন ধবল।








