ঈদে প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকে। এ কারণে নির্মাতা-প্রযোজকরা ঈদ টার্গেট করে বেশি ছবি নির্মাণ করে থাকেন। অল্প সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে নিয়ে শুরু হয় কাড়াকাড়ি! এই প্রতিযোগিতার পক্ষে নন নির্মাতা সঞ্জয় সমদ্দার।
তার মন্তব্য, ঈদের সিনেমায় প্রতিযোগিতা নয়, সহযোগিতা দরকার। সবাই যদি একে অন্যকে সহযোগিতা করে তাহলে এগিয়ে যাবে ইন্ডাস্ট্রি।
আসন্ন কোরবানির ঈদে মুক্তির লক্ষে শরিফুল রাজ, তাসনিয়া ফারিণ, মোশাররফ করিমকে নিয়ে ‘ইনসাফ’ নামে একটি ছবি বানাচ্ছেন সঞ্জয়।
এর আগে জিৎকে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের ‘মানুষ’ বানালেও দেশে ‘ইনসাফ’ হতে যাচ্ছে সঞ্জয়ের প্রথম ছবি। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার ছবির শেষদিনের শুটিং করছেন। আসন্ন ঈদুল আযহায় ঈদে মুক্তি দিতে চান তিনি।
গেল ঈদুল ফিতরে ‘বরবাদ’ সারাদেশে দাপটের সঙ্গে একচেটিয়া ব্যবসা করে ইন্ডাস্ট্রি হিট হয়েছে। পাশাপাশি ‘জংলি’, ‘দাগি’ এবং ‘চক্কর ৩০২’ ছবি তিনটিও দর্শক কমবেশি দেখেছে। সঞ্জয় সমদ্দার বলেন, আমরা অনেক আশাবাদী কোরবানির ঈদের ছবিগুলো দর্শক প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখবেন।
‘ইনসাফ’ মূলত মানবিক সম্পর্কের গল্প। পরিচালকের ভাষ্য, এতে অ্যাকশন, রোমান্স, সাসপেন্স সবই থাকবে। গল্পের ইমোশন ঠিক রেখে ঈদের ছবির প্যাকেজ হিসেবে বানানো হয়েছে। সেইসঙ্গে গল্পে এমন কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে যা দেখে বোঝা যায় এগুলো বাংলাদেশের ছবি।
তিনি বলেন,“বাংলাদেশে এটা আমার প্রথম ছবি। আসলে সিনেমা মেকিংয়ের জার্নিটা ইমোশনালি একই। এখানে দেশি ফাইট ডিরেক্টর, টেকনিশিয়ান সবই দেশি। ঢাকা, গাজীপুর, শ্রীমঙ্গল, কবিরপুর সব লোকেশনে শুটিং করছি। আমার গল্প অনুযায়ী সব টেকনিশিয়ান বা লোকেশন দেশে রেখেছি। আমার ধারণা, সবাই মিলে আমরা চেষ্টা করছি আমাদের সিনেমাকে এগিয়ে নিতে যেতে। ইনসাফেও আমি সেই চেষ্টা কমতি রাখিনি।”
আসন্ন কোরবানির ঈদে তাণ্ডব, নীলচক্র, টগর, এশা মার্ডার: কর্মফল নামের ছবিগুলোর পাশাপাশি ইনসাফও মুক্তি পাবে। ঈদের ছবির এই প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে সঞ্জয় সমদ্দার বলেন, আমি আসলে প্রতিযোগিতা নয়, সহযোগিতা দরকার। দর্শক সব ছবি দেখবে এটাই চাইবো। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে পরস্পরের এই সহযোগিতাটা খুব দরকার।
আগামীতে ইনসাফের আরেকটি পোস্টার প্রকাশ হবে। ছবির এডিটর থাকছেন সিমিত রায়, বিজিএম করছেন আরাফাত মহসিন নিধি, গান করেছেন হাবিব ওয়াহিদ। নির্মাতা জানান, তিতাস কথাচিত্র প্রযোজনা করছে ইনসাফ। এই প্রডাকশন হাউজটি আগে নিয়মিত ছবি বানাতো।








