ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার মারলন স্যামুয়েলসের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগগুলো ২০১৯ সালে আবুধাবি টি-১০ লিগের সাথে সম্পর্কিত, যেখানে তিনি কর্নাটক টাস্কার্সের দলে ছিলেন। আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের একটি স্বাধীন দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনাল বিচারে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
৪২ বর্ষী উইন্ডিজ টপঅর্ডার ব্যাটার চারটি অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ২০১২ ও ২০১৬ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যান অব দ্য ফাইনালের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। দুর্নীতি বিরোধী সেই চারটি ধারা হল- ২.৪.২, ২.৪.৩, ২.৪.৬ এবং ২.৪.৭।
ধারাগুলো অনুসরণ করে বলা হয়েছে-
২.৪.২ ধারায় অনুযায়ী- অর্থ, আতিথেয়তা, কোনো রকমের উপহার বা অন্য সুবিধা গ্রহণের তথ্য নিয়োগকৃত দুর্নীতি বিরোধী কর্মকর্তার কাছে প্রকাশ না করে ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
২.৪.৩ ধারার অভিযোগ- স্বীকৃত দুর্নীতি বিরোধী কর্মকর্তার কাছে আতিথেয়তা বা ৭৫০ বা তার বেশি ইউএস ডলার গ্রহণের তথ্য প্রকাশে ব্যর্থতা।
২.৪.৬ ধারায় অভিযোগ ছিল- স্বীকৃত দুর্নীতি বিরোধী কর্মকর্তাকে তদন্ত পরিচালনায় সহযোগিতা না করা।
এবং, ২.৪.৭ ধারার শেষ অভিযোগটি হল- তদন্তে স্বীকৃত কর্মকর্তাকে সহযোগিতায় ব্যর্থতা ও তথ্য গোপন করে স্বীকৃত কর্মকর্তার তদন্ত কার্যক্রম বিলম্বিত করা।
এজন্য উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ প্রদান করা হয়। স্যামুয়েলসও তার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছিলেন, জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। এর ভিত্তিতে স্যামুয়েলস শাস্তি পেতে চলেছেন। দুর্নীতির দায়ে এটি তার দ্বিতীয় শাস্তি হতে চলেছে।
ডানহাতি মারকুটে সাবেক ব্যাটার ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন। তিনি ৭১টি টেস্ট, ২০৭টি ওয়ানডে এবং ৬৭টি টি-টুয়েন্টি খেলেছেন। সবমিলিয়ে ১১ হাজারের বেশি রান করেছেন। যাতে ১৭টি শতক রয়েছে।
২০০৮ সালে দুর্নীতির অভিযোগে স্যামুয়েলস দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। অভিযোগ ছিল তিনি টাকা বা সুবিধা গ্রহণ করে ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন।








