গত শুক্রবার সাবেক তিন ক্রিকেটার সালমান বাট, কামরান আকমল ও রাও ইফতিখার আনজুমকে প্রধান নির্বাচকের পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ তিনজন ওয়াহাব রিয়াজকে পরামর্শ দেবেন বলে উল্লেখ করা হয়। কড়া সমালোচনার মুখে পড়ে নিয়োগের একদিন পরই বাটকে সরিয়ে দিয়েছে পিসিবি।
২০১০ সালে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমবার পিসিবিতে কোনো পদ পেয়েছিলেন বাট। এরপর থেকেই পাকিস্তানের ক্রিকেট মহলে ঝড় ওঠে সমালোচনার। প্রথমত স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে ওয়াহাব রিয়াজের বিরুদ্ধে। নিয়োগ পাওয়া তিনজনই ওয়াহাবের মতোই পাঞ্জাবী। পাকিস্তানের ক্রিকেটে পাঞ্জাব আগে থেকেই প্রভাবশালী অবস্থানে আছে। ওয়াহাব নিজেও পাঞ্জাব সরকারের মন্ত্রী।
সবচেয়ে বড় বিতর্ক ওঠে সালমান বাটের নিয়োগ নিয়ে। ইএসপিএন-ক্রিকইনফো জানিয়েছে, সালমানের নিয়োগ নিয়ে পিসিবির ভেতরেরই কয়েকজনের আপত্তি ছিল। এরমধ্যে অন্তত একজন তার নিয়োগের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছিলেন। এমন সমালোচনার পর বাধ্য হয়ে দ্রুত সংবাদ সম্মেলন ডেকে নতুন সিদ্ধান্ত জানান প্রধান নির্বাচক ওয়াহাব রিয়াজ।
বাটকে সরিয়ে নেয়ার সঙ্গে ওয়াহাব আরও জানান, সালমানের জায়গায় ৩৭ বর্ষী আসাদ শফিককে সাময়িকভাবে নির্বাচক প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
২০১০ সালে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন তখনকার পাকিস্তান অধিনায়ক বাট। সেসময়ে নিষিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি কারাগারেও ছিলেন। ৩৩ টেস্ট, ৭৮ ওয়ানডে ও ২৪ টি-টুয়েন্টি খেলা ব্যাটার নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আর জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি।









