মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে ফরিদপুরের নগরকান্দার এম এন একাডেমী স্কুল মাঠে।
দুঃসময়ের সাহসী এই রাজনীতিবিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিকেল তিনটায় তার মরদেহ নেয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এরপর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পথচলা শুরু সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর। সাংগঠনিক দক্ষতায় এর পরের পর্ব কেবল উত্থানের। বাংলাদেশের যুদ্ধযাত্রার প্রস্তুতি পর্বে তৎপরতা চালান মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন সক্রিয়ভাবে, ছিলেন কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।
বঙ্গবন্ধু পরিবারের ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা এই রাজনীতিক স্বাধীন বাংলাদেশে নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক এবং গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার ছিলেন।
পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর আনুগত্যে অবিচল থেকে রাজনীতির চরম পরীক্ষায় উতরান সাজেদা চৌধুরী। আওয়ামী লীগের ঘোর দুর্দিনে মুশকিল আসান হয়ে পান সর্বজনমান্যতা। ১৯৭৬ সালে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পর ১৯৮৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগে হন সাধারণ সম্পাদক।
ফরিদপুর-২ আসনের বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাজেদা চৌধুরী ১৯৯৬ সালের সরকারে বন ও পরিবেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। নবম জাতীয় সংসদে তিনি হন সংসদের উপনেতা। এই দায়িত্বে থেকেই রাজনীতির মতই জীবনের যতি টানলেন স্বাধীনতা পুরস্কারে সম্মানীত বীর মুক্তিযোদ্ধা সাজেদা চৌধুরী।








