তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ কান্ধলভী ও জুবায়েরপন্থিদের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরইমধ্যে সাদপন্থিরা কাকরাইলের মারকাজ মসজিদের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকাল থেকেই কাকরাইল মারকাজ মসজিদে আসতে শুরু করেন সাদপন্থিরা। সাদপন্থীরা আগেই শুক্রবার সকালে কাকরাইলের মারকাজ মসজিদে প্রবেশ করে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পূর্বঘোষণা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে সংঘাত ও হতাহতের আশঙ্কায় ভোর থেকেই সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আজ সকালে কোন ধরনের বাধা ছাড়াই কাকরাইল মসজিদে প্রবেশ করে তাবলীগ জামাতের সাদপন্থীরা। তারা বলছেন, এবারের বিশ্ব ইজতেমায় যেন মাওলানা সাদ অংশ নিতে পারেন, সেটিই প্রধান দাবি।
রাজধানীর কাকরাইল মসজিদে তাবলীগ জামাতের সাদপন্থীদের প্রবেশ নিয়ে জোবায়েরপন্থীদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিলো। তবে সব শঙ্কা ছাপিয়ে সকাল সাড়ে সাতটার কিছু পরে কাকরাইল মসজিদে শান্তিপূর্ণভাবে প্রবেশ করেন সাদপন্থীরা। নিয়ম অনুযায়ী এখানে ২ সপ্তাহ অবস্থান করবেন তারা।
উল্লেখ্য, তাবলিগ-জামাতের বিবদমান দ্বন্দ্বের পর থেকে গত ৭ বছর ধরে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে কাকরাইল মসজিদে অবস্থানের ক্ষেত্রে জুবায়েরপন্থিরা ৪ সপ্তাহ ও সাদপন্থিরা দুই সপ্তাহ করে পর্যায়ক্রমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। যদিও বিগত সরকারের এমন বৈষম্যপূর্ণ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করে আসছিল সাদপন্থিরা। এখন পুরো কাকরাইল মসজিদ অবৈধ দখল করে ১৫ নভেম্বর থেকে অবস্থান নিতে চায় জুবায়েরপন্থিরা। বুধবার (১৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সাদ অনুসারীরা।
তারা আরও জানান, অপরদিকে কাকরাইল মসজিদের একটি অংশে এমনিতেই জুবায়েরপন্থিরা সারা বছর মাদ্রাসার নামে আলাদা অবস্থান নিয়ে থাকেন। কিন্তু হেফাজতপন্থি আলেমদের সাম্প্রতিক ঘোষণার প্রেক্ষাপটে জুবায়েরপন্থিরা সরকারি সিদ্ধান্ত অমান্য করে কাকরাইল মসজিদ স্থায়ীভাবে দখল নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।









