ইঞ্জিন রুমে বিস্ফোরণের পর স্পেন ও আলজেরিয়ার মধ্যবর্তী ভূমধ্যসাগরে উরসা মেজর নামের একটি রাশিয়ান পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে গেছে বলে নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জাহাজটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অধীনে ছিল।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজটির ১৪ জন ক্রুকে উদ্ধার করে স্পেনের কার্টেজেনা বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তবে আরও দুইজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা ইন্টারফ্যাক্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ দিন আগে সেন্ট পিটার্সবার্গের বন্দর ছেড়েছিল উরসা মেজর। জাহাজটির মালিক ওবোরোনলজিস্টিকা জানিয়েছে, জাহাজটি রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্টকের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল এবং এটি ৩৮০ টন ওজনের দুটি বড় ক্রেন বহন করছিল।
উরসা মেজরের বিস্ফোরণের কারণ এখনও অজানা। আলজেরিয়ার ওরান এবং স্প্যানিশ শহর আগুইলাসের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় বিস্ফোরণটি ঘটে। জানা গেছে, জাহাজটি সমস্যায় পড়ার সময় স্পার্টা নামের আরেকটি রাশিয়ান জাহাজ উরসা মেজরের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। গত সপ্তাহে এই দুটি জাহাজকে ইংলিশ চ্যানেলের মধ্য দিয়ে যেতে দেখা যায়।
২০০৯ সালে নির্মিত উরসা মেজর ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসে। মালামাল পরিবহনের জন্য জাহাজটির মালিক ওবোরোনলজিস্টিকার ভূমিকা এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ বিস্ফোরণের কারণ তদন্ত করছে এবং নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধান অব্যাহত রেখেছে।









