ডোনাল্ড ট্রাম্পের জীবন নিয়ে তৈরি সিনেমা ‘দ্য অ্যাপ্রেন্টিস’ এবার কান চলচ্চিত্র উৎসবের আসরে প্রদর্শিত হয়েছে। সিনেমা প্রদর্শন শেষ হওয়ার পর টানা ৪ মিনিট স্ট্যান্ডিং ওভেশন পেয়েছে। কিন্তু কানে হইচই ফেলে দেয়া এই সিনেমা পরিবেশক পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রে।
হুমকির কারণে প্রভাবিত হয়ে হোক বা না হোক, এখন পর্যন্ত ছবিটি না বড় কোনো স্টুডিও পেয়েছে, না কোনো লিডিং স্ট্রিমিং সার্ভিস এটি নেয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশ্বজুড়ে বহু স্থানে সিনেমাটি পরিবেশক পেলেও যে দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার লড়াইয়ে লড়ছেন ট্রাম্প, সেখানেই কোনো পরিবেশক পাওয়া যায়নি এখনও।
এ বায়োপিক ১৯৭০ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চাভিলাষী তরুণ ট্রাম্পকে দেখানো হয়েছে। সিনেমায় ট্রাম্পের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন সেবাস্টিয়ান স্ট্যান। আর এই সিনেমায় ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী ইভানার চরিত্রে অভিনয় করলেন বুলগারিয়ান অভিনেত্রী মারিয়া বাকালোভা। ট্রাম্পের তিন সন্তান ডোনাল্ড জুনিয়র, ইভাঙ্কা ও এরিকের মা ইভানা।
সিনেমায় দেখানো হয় প্রথম স্ত্রীকে ধর্ষণ করছেন ট্রাম্প। আর এতেই তুমুল চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৭৬ সালে ইভানার সঙ্গে ট্রাম্পের দেখা হয়। আর ২০২২ সালে ইভানার মৃত্যু হয়। ট্রাম্পের সঙ্গে ডিভোর্সের মামলা চলাকালীন ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন তিনি। পরে যদিও সেই অভিযোগ তুলে নেন।
জানা যায়, ‘দ্য অ্যাপ্রেন্টিস’ সিনেমায় দেখানো হয়েছে ট্রাম্পের ভুঁড়ি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন ইভানা। আর তাতেই আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের হাতে ধর্ষণের শিকার হতে হয় তাকে। আবার একটি দৃশ্যে দেখানো হয় চুল পড়ার জন্য লাইপোসাকশন ও সার্জারি করাচ্ছেন ট্রাম্প। সব মিলিয়ে বিতর্কে ভরপুর এই ছবি!
এই বিতর্ক সামনে আসতেই নির্মাতাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ট্রাম্পের টিম। সিনেমাটিকে তারা ‘আবর্জনা’ এবং ‘মানহানি’ বলে অভিহিত করেছেন। রেগে গিয়েছেন ট্রাম্পের অনুরাগীরাও। অবশ্য, পরিচালক আলি আব্বাসির বক্তব্য, কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া আগে দর্শক বা ট্রাম্পের ভক্তরা যাতে পুরো সিনেমাটি ভালো করে দেখে।
সূত্র: এপিনিউজ









