নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ চূূড়ান্ত করতে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) তিনি একথা জানান। তিনি বলেন, আদালত ঘোষিত ফেরারি আসামিকে ভোটে অযোগ্য রাখার সুপারিশ করেছে ইসি।
তিনি আরও জানান, , হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে, ইসি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। একইসাথে সংসদ সদস্য পদ হারাবেন প্রার্থী। প্রার্থীর জামানত ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার করার সুপারিশ করা হয়েছে বলে সংশোধনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংশোধনীতে আরও বলা হয়, প্রিজাইডিং অফিসাররা কেন্দ্রে সর্বেসর্বা হবেন। তারা চাইলে ভোট বন্ধ করতে পারবেন। একজন ভোটারের জন্য সর্বোচ্চ ১০ টাকা খরচ করতে পারবে প্রার্থীরা। এছাড়া স্যোসাল মিডিয়া ব্যবহার করে আচরণবিধি ভঙ্গের মতো কিছু করা যাবে না।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া দলের পরিচয়ে ভোট করার সুযোগ নেই। অনলাইনে মনোনয়ন দাখিলের বিষয়টি সংশোধনীতে যুক্ত করা হয়নি।









