গত ফেব্রুয়ারিতে বয়স ৪০ ছুঁয়েছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। এই বয়সেও তিনি যখন মাঠে নামেন, তরুণদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খেলে চলেন। তার শারীরিক অবস্থা, চেহারায়ও ফুটে ওঠে তারুণ্য। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা মজার করে লিখেছে, ‘রোনালদোর বয়স সূক্ষ্ম ওয়াইনের মতো- যত পুরনো, ততই উজ্জ্বল!’
কঠোর অধ্যবসায়, শৃঙ্খলার মধ্যে থাকা, নিয়ম মেনে চলা এবং নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস- রোনালদোকে অন্যদের চেয়ে একটু আলাদাই রেখেছে। সাধারণ অর্থে, বিশ্বের রোনালদোপ্রেমী বা ফুটবল ভক্ত-সমর্থকরা এমনই জানেন। রোনালদোর এই তারুণ্য ধরে রাখা বা চিরযৌবনা অন্দরের কিছু রহস্যের কথা তুলে ধরলেন এক প্লাস্টিক সার্জন। যার ধারণা, স্পষ্টত পর্তুগিজ মহাতারকা বর্তমান চেহারা এবং তারুণ্য অর্জনের জন্য কিছু অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে গেছেন।
সিআর সেভেনের তারুণ্যভরা চেহারার রহস্য সম্পর্কে নিউইয়র্কের বিখ্যাত প্লাস্টিক সার্জন ড. এলি লেভিন মনে করেন, আল-নাসের এফসির মহাতারকা তরুণ চেহারা ধরে রাখার জন্য অসংখ্য অস্ত্রোপচারে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছেন। যদিও রোনালদোর সঙ্গে তিনি কোন কাজ করেননি।
ড. লেভিন বিশ্বাস করেন, সিআর সেভেন নাকের আকৃতি উন্নত করার জন্য রাইনোপ্লাস্টি (যাকে নাকের কাজও বলা হয়) করিয়েছিলেন। তার নাকের হাড় ভেঙে নতুন আকার দেয়া হয়েছে। তার আগে তিনি যে অর্থোডন্টিক্স (দাঁতের সাইজ পরিবর্তনের চিকিৎসা) করিয়েছিলেন, তাও যোগ করতে হবে। যা তার পেশাদার জীবনের প্রথমদিকে লুকিয়ে রাখেননি। আরেকটু বাড়িয়ে বললে, দাঁতের চিকিৎসা যেমন ভেনিয়ার ব্যবহার করা হয় দাঁতকে সাদা এবং সোজা দেখানোর জন্য, সেটা করেছেন রোনালদো। লেভিনের কথায়, পর্তুগিজ মহাতারকা উপরের মাড়ির জায়গা কমাতে অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন।
যদিও পুরোটাই এ সার্জনের ধারণাপ্রসূত আলাপ!









