রিয়াল মাদ্রিদে রদ্রিগোর ব্যাপারে আলোচনা যেন থামছেই না। রিয়ালের সঙ্গে তার চুক্তি ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত থাকলেও ব্রাজিলিয়ান তারকার স্পেন ছেড়ে প্রিমিয়ার লিগে যাওয়ার আলোচনা উঠেছে। স্প্যানিশ ক্লাবটির ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, এখনই তাদের ১১ নম্বর খেলোয়াড়কে নিয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। এ গ্রীষ্মে রদ্রিগোকে ক্লাব থেকে বিদায় দিতে রাজি রিয়াল কোচ জাবি আলোনসোও।
ইংলিশ ক্লাব আর্সেনাল ইতিমধ্যে রদ্রিগোর উপর আগ্রহ দেখিয়েছে। মিকেল আর্তেতার দল ডান এবং বাঁ-প্রান্তে শক্তি বাড়াতে চাচ্ছে, যেখানে ২৪ বর্ষী রদ্রিগো একেবারে মানানসই। গ্রীষ্ম দলবদল মৌসুমে ৭০ মিলিয়ন ইউরোতে আর্সেনালের কাছে তাকে দিতে রাজি রিয়াল ও আলোনসো।
২০২৪-২৫ মৌসুমের শুরুতে কাইলিয়ান এমবাপে রিয়ালে এসেছেন। বেলিংহাম, এমবাপে, ভিনিসিয়াস জুনিয়র ক্লাবটির মুল আক্রমণত্রয়ী, যাদের সংক্ষিপ্ত নাম হয়ে গেছে বিএমভি।
এমন অবস্থায় রিয়ালে নিজেকে উপেক্ষিত মনে করছেন রদ্রিগো, প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন। গত বছরের আগস্টে নিজের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে এক পোস্টে দাবি করেছিলেন, মাদ্রিদের আক্রমণভাগ ছিল চারজনের সমন্বয়ে এবং তিনি সম্মান দাবি করেন। দ্রুত পোস্টটি মুছেও দেন তিনি। তখনকার কোচ আনচেলত্তি ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন, পোস্টটি ‘ভুয়া’ এবং রদ্রিগোর সঙ্গে এটির কোন সম্পর্ক নেই। ঘটনার সূত্রপাত যেটাই হোক, তখন থেকেই ক্লাবের ভেতর উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
রদ্রিগো প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, তিনি বাঁ-উইংয়ে খেলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সেই জায়গায় আছেন ভিনিসিয়াস ও এমবাপে। এতে তাকে ডান পাশে খেলতে হয়, যেখানে তিনি সেরা ছন্দে খেলতে পারেন না।
২০২৪-২৫ মৌসুমে রদ্রিগোর পারফরম্যান্সও ছিল অনিয়মিত। সর্বশেষ গোল করেছেন ৪ মার্চ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে। মৌসুমের শেষদিকে তাকে স্কোয়াড থেকে বাদও দেয়া হয়। খবর রটে, অনুশীলনে অনুপ্রেরণার ঘাটতি ছিল তার। যা রদ্রিগোর পক্ষ থেকে জোরালভাবে অস্বীকার করা হয়।
জাবি আলোনসোর অধীনে রদ্রিগো এখন আর প্রথম একাদশের পছন্দ নন। ক্লাব বিশ্বকাপে তিনি ৪ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে মূল একাদশে ছিলেন। প্রথম ম্যাচে আল-হিলালের বিপক্ষে গনঞ্জালো গার্সিয়ার গোলে অ্যাসিস্ট করেছিলেন। কিন্তু পরের তিন ম্যাচে মাত্র ২৩ মিনিট মাঠে থাকতে পেরেছেন। তার পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়েছেন অনেকেই।









