ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রায়ই সংবাদের শিরোনাম হন বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। মূলত সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যুর পর বার বার অভিযোগের আঙুল উঠেছে তার দিকেই। কারণ সে সময় অভিনেতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন এই অভিনেত্রী।
সুশান্তের মৃত্যুর পর যেন হাজারও বিতর্কের জালে বাঁধা পড়েন রিয়া। এমনকি মাদককাণ্ড সহ সুশান্তকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে জেলও খাটতে হয়েছে তাকে। এবার জেলের সেই দুর্বিষহ দিনগুলোর বর্ণনায় মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘জালেবি’ খ্যাত অভিনেত্রী বলেন, ২০২০ সালে সুশান্ত যখন মারা যায় সে সময় দেশজুড়ে লকডাউন চলছিল। আর করোনাকালে জেলবন্দি হওয়ায় প্রায় ১৪ দিন একা একটা কক্ষে থাকতে দেওয়া হয় রিয়াকে। পাশাপাশি তাকে খাবার হিসেবে দেওয়া হতো রুটি আর ক্যাপসিকাম।
আবেগতাড়িত হয়ে রিয়া বলেন, করোনাকালের কিছু নির্দিষ্ট নিয়মের জন্যই ১৪ দিন আমাকে জেলের একটা ঘরে সম্পূর্ণ একা রাখা হয়। আমাকে জিজ্ঞেস করা হতো দুপুরে খাব কি না। সত্যি বলতে এতো ক্ষুধা পেতো এবং ক্লান্ত থাকতাম যে, যেটাই খেতে দেওয়া হতো আমাকে সেটাই খেয়ে নিতাম।
অভিনেত্রী আরও বলেন, সেই সময় আমাকে রুটি আর ক্যাপসিকাম খেতে দেওয়া হতো। সেটা কিন্তু তরকারির মতো ছিল তেমনটা ভাবারও কোনো কারণ নেই। সেটাতে শুধুই ক্যাপসিকাম এবং পানি থাকত। এছাড়াও জেলের বাথরুম প্রচণ্ড নোংরা ও ছোট ছিল যেটিতে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলাম।
তবে জেলবন্দি সময়ে বেশ কিছু বাস্তবতার সম্মুখীন হন রিয়া। বলা যায়, নিজের মধ্যে কিছু নৈতিকতা তৈরি হয় এই অভিনেত্রীর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি জেলবন্দি থাকাকালীন দেখেছি অনেক বন্দির পরিবারের সামর্থ্য নেই। তাই পাঁচ-দশ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার কেউ ছিল না। আমার তো তাও পরিবার এবং বন্ধুরা আছে। তাই নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে হতো আমার।
সূত্র: নিউজ এইটটিং








