শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তী সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলম খান। তিনি দীর্ঘদিন ক্যানসারসহ নানা রোগে ভুগছিলেন।
তার মৃত্যুতে শুধু সংগীত জগতই নয়, পুরো সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া। গুণী এই মানুষটির স্মরণে চ্যানেল আইতে রাখা হয়েছে শোক বই।
চ্যানেল আই পরিবারের সাথে অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিলো সুর স্রষ্টা আলম খানের। গুণী এই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই চ্যানেল আই কার্যালয়ে রাখা হয়েছে বিশালাকার ছবিসহ তার নামে একটি শোক বই।
যে বইতে ইতোমধ্যে এই গুণী মানুষের স্মরণে নিজের অনুভূতির কথা লিখে জানিয়েছেন খুরশীদ আল, কনক চাঁপা, মিলন খন্দকার, আসিফ ইকবাল, এরশাদুল হক টিংকু, কবির বকুল, মানাম আহমেদ, দিনাত জাহান মুন্নী, অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার, সেলিম হায়দার, রিপন খান ও গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন প্রমুখ।
তারমধ্যে সংগীতশিল্পী শওকত হায়াত খান লেখেন, বন্ধু আলমের সংগীত পরিচালক হিসেবে প্রথম ছবি ‘কাচ কাটা হীরে’ তে আমার প্রথম প্লেব্যাক ১৯৬৯ সালে। ও ছিলো গানের জগতে আমার পরম বন্ধু। তার আত্মার শান্তি কামনা করি।
খুরশীদ আলম লিখেছেন, আজ বাংলাদেশের ছায়াছবির জনপ্রিয় সুরকার আলম খান আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। সবাইকে যেতে হবে, কিন্তু আলম ভাইয়ের যাওয়াটা ভীষণ বেদনাদায়ক। আমার অনেক জনপ্রিয় গানের সুরকার শ্রদ্ধেয় আলম খান। তার মৃত্যুতে আমি এবং সংগীতের সাথে যারা জড়িত সবাই মর্মাহত। যেখানেই থাকেন, শান্তিতে থাকবেন।
অসংখ্য কালজয়ী গানের সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলম খানের প্রথম নামাজে জানাজা চ্যানেল আই প্রাঙ্গেনে সম্পন্ন হয়েছে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন সংগীত অঙ্গনের আলোকিত সব মুখ।
জানাজা শেষে আলম খানের জ্যেষ্ঠ পুত্র আরমান খান জানান, দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে মোহাম্মদপুরে। সেখান থেকে রাতেই আলম খানের মরদেহ দাফনের উদ্দেশ্যে শ্রীমঙ্গলে নেয়া হবে।
শনিবার শ্রীমঙ্গলের আউলিয়া হযরত খাজা শাহ মোজাম্মেল হক মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে।







