বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে ২০২৫ সালের লন্ডনের ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধীনে অনুষ্ঠিত (আইজিসিএসই) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সার্টিফিকেট বিতরণ করেছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’র ইংরেজি সেকশনের স্কুল পরিচালনা পর্ষদ।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) জেদ্দা অবস্থিত স্কুলের প্রাঙ্গনটি আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কমিউনিটির লোকজনের উপস্থিতিতে প্রাঙ্গনটি মিলন মেলায় পরিণত হয়।
লন্ডনের ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধীনে অনুষ্ঠিত (আইজিসিএসই) পরীক্ষায় বিশ্বের অন্যান্য স্কুল থেকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে জেদ্দা বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ওয়ার্ল্ড রেংকিংয়ে চারজন শিক্ষার্থী প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থান অর্জন করেন। ইতোমধ্যে শিক্ষার মান উন্নয়নে জেদ্দা তথা সৌদি আরবে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অন্যান্য স্কুলকে পেছনে ফেলেছে ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।
সার্টিফিকেট বিতরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেদ্দা বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আব্দুল নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও প্রতিষ্ঠানটির প্রিন্সিপাল মোঃ মতিউর রহমান খানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল জেদ্দার শ্রম মিনিস্টার খন্দকার সিরাজুস সালেকিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কনস্যুলেটর প্রথম সচিব নাজমুল হাসান।পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী আসাদুজ্জামান। পরিচালক প্রশাসন ডক্টর শেখ মিজানুর রহমান। অর্থ ও শিক্ষাবিভাগের পরিচালক সুমন উর রাশিদ ও পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ আরিফ খান।
আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড রেংকিংয়ে যে চারজন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের এবং পরবর্তী প্রতি বছরগুলিতে যেসব শিক্ষার্থীরা টপ অফ দা ওয়ার্ল্ড রেংকিংয়ে উত্তীর্ণ হবেন তাদের জন্য জেদ্দা বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পক্ষ থেকে ৭৫ পার্সেন্ট স্কলারশিপ ঘোষণা করেন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আব্দুল নাছির উদ্দিন।
শিক্ষার মানকে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী অভিভাবক, কমিউনিটি ও বাংলাদেশ কনস্যুলেটরের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন তিনি।
এছাড়া জেদ্দা প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি, প্রবাসী বাংলাদেশী রেমিট্যান্স যোদ্ধা সন্তানদের উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটির জন্য স্থায়ীভবন নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। ইতিপূর্বে কনস্যুলেটেরের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যে অর্থ অর্থ প্রদান করা হয়েছিল তা স্থায়ী অবকাঠামো জন্য নির্মাণের জন্য খুবই অপ্রতুল ছিল।









