বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও বাংলাদেশে সদ্যগঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আনন্দ উদযাপনের সময় এখনও আসেনি। শহীদের রক্ত ও লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগের ফলে এই অর্জন। এখনও অনেক দূর যাওয়া বাকি। বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করা আমাদের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। তরুণ প্রজন্মের এই জেগে উঠাকে আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে।
নিজের ফেসবুক একাউন্টে দেয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ করছি ও আহতদের প্রতি সমবেদনা। সারাদেশের সকল সমন্বয়কের প্রতি আন্তরিক ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতা। সকলের আত্মত্যাগের ফলেই আমরা একটি নতুন বাংলাদেশের সূচনা করতে পারছি।
তিনি বলেন, প্রথমেই সবার কাছ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। গত কয়েকদিন ধরে আমি নিরাপত্তাজনিত কারণে ও শারিরীক অসুস্থতার জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলাম। বাংলাদেশ একটা অস্থির সময় পার করছে। লুটপাট, সহিংসতা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নিপীড়নসহ জনজীবনে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। এখনো ফ্যাসিস্ট রেজিম সমূলে উৎপাটন করা হয়নি। জাতীয় স্বার্থে ও গণঅভ্যুত্থান রক্ষার জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকার গঠন করাকেই আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা এখনো রাস্তায় থেকে শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা পালন করছে। তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। আশাকরি খুব দ্রুতই আইন শৃঙ্খলার পরিবেশ ও জনজীবনে নিরাপত্তা ফিরে আসবে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সরকার ও রাজপথে উভয় যায়গায় উপস্থিতি রাখবে। ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের সরকারকে স্বাগত জানাই। সকলকে পাশে থাকার আহ্বান জানাই।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আপনাদের সকল ধরনের আলোচনা, সমালোচনা ও পরামর্শ আমাদের পাথেয় হবে। সবার দোয়া ও ভালবাসা কামনা করছি। আবারও প্রতিবাদী ছাত্র-জনতাকে ধন্যবাদ।
এর আগে, বৃহস্পতিবার ৮ আগস্ট রাতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা পরিষদ শপথ গ্রহণ করেন।









