চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
    [vc_row][vc_column][vc_video link="https://www.youtube.com/live/GvSQMcp7GDo?si=AFUi4hYFRyndxJNP" css=""][/vc_column][/vc_row]
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ভারতে শীতে বাঘের মৃত্যু বাড়ার কারণ

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
8:58 অপরাহ্ন 11, ফেব্রুয়ারি 2025
- সেমি লিড, আন্তর্জাতিক
A A
Advertisements

শীতের পর্যটন মানেই অনেকের কাছে জঙ্গল সাফারি। তাই প্রতি বছর ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে বিভিন্ন ব্যাঘ্র প্রকল্পে সাফারির বুকিং সেরে ফেলেন পর্যটকরা। যে বাঘ দেখতে জঙ্গলে যান তারা, সেই প্রাণীটির সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয় এই সময়ে। গত জানুয়ারিতে ২৪টি বাঘ মারা গিয়েছে ভারতে।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুর সংখ্যাটা নেহাত কম নয়, যা যথেষ্ট উদ্বেগের। গত পাঁচ বছরে এটাই রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যু।

অসুস্থতা থেকে চোরা শিকার, বিভিন্ন কারণে ভারতে বাঘের মৃত্যু হয়। গত এক দশকের বেশি সময়ে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়কালে শুধু দুই মাসের হিসেবে ৩০০টি বাঘ মারা গিয়েছে। ২০২৩-২৪ সালে বাঘের মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমেছিল। কিন্তু এ বছর আবার বাঘের মৃত্যু বেড়েছে।

গত ডিসেম্বরে একটিও বাঘ মারা যায়নি, কিন্তু গত জানুয়ারিতে ভারতে ২৪টি বাঘ মারা গেছে। শীতের সময় কোনো একটি মাসে বাঘের মৃত্যুর এই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বাধিক।

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের দেশ ভারত। এই প্রজাতির বাঘের তিন চতুর্থাংশ বাস করে এ দেশে। প্রায় দুই দশকের কেন্দ্রীয় বাঘসুমারির রিপোর্ট অনুযায়ী, বাঘের সংখ্যা সঠিক হারে বেড়েছে। ২০০৬ সালে বাঘের সংখ্যা ছিল এক হাজার ৪১১টি। ২০২২- এ তিন হাজার ৬৮২টি বাঘের সন্ধান মিলেছিল।

মৃত্যু এর তুলনায় অনেক কম হলেও তার সময়কাল নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। বাঘ সংক্রান্ত নিয়ামক সংস্থা ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির (এনটিসিএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ১৭ এবং ডিসেম্বরে ১০টি বাঘ মারা গেছে। ২০২২ সালে এই সংখ্যা যথাক্রমে ১৫ ও ১৭। তার পরের বছর জানুয়ারিতে ১৭টি বাঘ মারা যায়, ডিসেম্বরে ১৫টি। গত বছর জানুয়ারিতে বাঘের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ে, ২০টি বাঘ মারা যায়। ডিসেম্বরে সেই সংখ্যা কমে হয় ১৩।

সংসদে কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংয়ের পেশ করা তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে চোরাশিকারসহ বিভিন্ন কারণে অস্বাভাবিকভাবে মারা গেছে ১১৯টি বাঘ। এই সময়ে বাঘের হামলায় দেশে ৩৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষ সময়ে মৃত্যু
বাঘ সংরক্ষণ করে তার সংখ্যা বাড়ানোর সরকারি উদ্যোগে ফল মিলেছে। কিন্তু শীতকালেই কেন বেশি বাঘের মৃত্যু হচ্ছে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছেন পরিবেশবিদ থেকে সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞরা।

সারা বছর বাঘের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যে কয়টি বিষয় বিপদ হিসেবে সামনে আসে, শীতেও তার ব্যতিক্রম হয় না। রাজ্য বন্যপ্রাণ উপদেষ্টা পর্ষদের সদস্য তথা বন্যপ্রেমী সংস্থা ‘শের’ এর কর্ণধার জয়দীপ কুন্ডু বলেন, সারা ভারতবর্ষে বাঘের জঙ্গল আক্রান্ত নানাভাবে। মাইনিং, রেলওয়ে ট্র্যাক, হাইওয়ে দ্বারা বিভিন্নভাবে বাঘের বাসস্থান আক্রান্ত হচ্ছে। এখন চোরাশিকারের থেকেও বাঘের নিজস্ব বাসস্থান পাওয়াটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাঘের বাসস্থান নিয়ে আমরা যদি সিরিয়াসলি ভাবনা চিন্তা এখন থেকে না করি, তাহলে আগামী দিনে এক মাসে ২৪-এর থেকেও বেশি সংখ্যায় বাঘ মারা যেতে পারে।

অভিজ্ঞ বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রাণিসম্পদ বিকাশ বিভাগের সাবেক ডেপুটি ডিরেক্টর শিবাজী ভট্টাচার্য বলেন, বাঘের সংখ্যা বাড়ছে মানে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। একটি বাঘের সঙ্গে অন্য বাঘের প্রতিযোগিতা, একইভাবে বাঘের সঙ্গে অন্য প্রাণীর টিকে থাকার লড়াই বাড়ছে। মানুষ ও তার গৃহপালিত পশু ওইসব প্রাণীর বসবাসের জায়গায় চলে যাচ্ছে। তাদের খাবার ও বাসস্থানের উপর ভাগ বসাচ্ছে।

প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে এলাকা দখলের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। মিলনকাল ছাড়া একটি বাঘ দু-তিনটে বাঘিনীর সঙ্গে একটা বৃহত্তর অঞ্চল জুড়ে বসবাস করে। কোন বাঘ সেই অঞ্চলে এসে উপস্থিত হলে শুরু হয় প্রতিযোগিতার লড়াই। এই লড়াইয়ে অনেক সময় বাঘের মৃত্যু হয়।

কেন শীতে?
শীতকালে বাঘের মৃত্যুর বিশেষ কোনো কারণ খুঁজতে গিয়ে শিবাজী বলেন, সাধারণভাবে বাঘ জাতীয় প্রাণী এমন রোগে বেশি মারা যায়, যা সংক্রামক নয়। কিন্তু অন্যান্য পশুর থেকে বাঘের শরীরে বিভিন্ন ভাইরাস সংক্রামিত হচ্ছে। গির ও দুধওয়া অরণ্যে এই ধরনের অসুখে সিংহ ও লেপার্ড মারা গিয়েছিল। শীতকালে এই ধরনের সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে।

এটা বুঝতে গেলে বাঘের মৃতদেহ ভালো করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। মানুষের হস্তক্ষেপ কতটা আছে সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। রাস্তা রেললাইন বা অন্য কোনো বাধার মুখে জঙ্গলে পশু পড়ছে কি না দেখতে হবে।

শীতকাল মানেই রবিশস্যের মৌসম। এই সময়ে ভারতের খেত ফসলে ভরে থাকে। মাঝেমধ্যেই গৃহপালিত পশু থেকে জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় অন্যান্য বন্যপ্রাণী খেতে ঢুকে ফসল নষ্ট করে। এর থেকে বাঁচতে কৃষকরা বৈদ্যুতিক তারের যে বেড়া ব্যবহার করেন, তা বাঘের ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। শুধু বাঘ নয়, হাতির মত অন্যান্য প্রাণীও এর শিকার হয়।

বন দপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা জয়ন্তকুমার মল্লিক বলেন, বিভিন্ন কারণে বাঘ মারা যায়। এর মধ্যে অন্যতম ইলেকট্রিকের তার, যা চাষিরা গবাদি পশুদের কবল থেকে শস্য বাঁচাতে ব্যবহার করেন, বাঘ নিজের জায়গা খুঁজতে খুঁজতে সেই এলাকায় এসে পড়লে রাতের বেলা ইলেকট্রিকের তারে আক্রান্ত হয়।

এছাড়াও বেশ কয়েকটি কারণের উল্লেখ করেন বন্যপ্রাণ বিষয়ে একাধিক বইয়ের লেখক জয়ন্ত। তিনি বলেন, বিষ প্রয়োগের ফলে মৃত গবাদি খেয়ে বাঘ অনেক সময় মারা যায়। এই প্রবণতাটা সবচেয়ে ভয়ানক। দক্ষিণ এবং পশ্চিম মহারাষ্ট্রে রাতের বেলা ট্রেনের ধাক্কায় অনেক বাঘ মারা যায়। চোরা শিকারিদের বাড়বাড়ন্ত ছাড়াও বাঘের মৃত্যু লোক্যালিটি ফ্যাক্টর এর ওপর নির্ভর করে।

বন্যা, খরা, দাবানল এ সমস্তই বাঘের মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকে। ২০২৫-এ বাঘের মৃত্যু কী কী কারণে হয়েছিল সেটা দেখতে হবে। সেই মৃত্যুগুলো কি স্বাভাবিক মৃত্যু? নাকি বয়সজনিত কারণে বা কোন দুর্ঘটনা থেকে মৃত্যু, সেগুলো দেখতে হবে।

ট্যাগ: বাঘের মৃত্যুবাঘের মৃত্যু বাড়ার কারণভারতে শীতে বাঘের মৃত্যু
শেয়ারTweetPin
পূর্ববর্তী

পাকিস্তান হাইকমিশনারের সাথে জামায়াতের আমিরের বৈঠক

পরবর্তী

বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রমে বিশ্বব্যাংকের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

পরবর্তী

বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রমে বিশ্বব্যাংকের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সর্বশেষ

এক সপ্তাহের জন্য ইউক্রেনে ‘আংশিক যুদ্ধবিরতিতে’’ রাশিয়া

জানুয়ারি 30, 2026

পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল আচরণের তাগিদ দিলেন তথ্য উপদেষ্টা

জানুয়ারি 29, 2026

আ’লীগ থাকলে জামায়াত থাকবে, জামায়াত থাকলে আ’লীগ থাকবে: মাহফুজ আলম

জানুয়ারি 29, 2026

ছাদখোলা বাস, সংবর্ধনা এবং আরও সাফল্য তৃষ্ণায় শেষ ঘরে ফেরার আয়োজন

জানুয়ারি 29, 2026

নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে: রাজশাহী ও নওগাঁয় তারেক রহমান

জানুয়ারি 29, 2026
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT

Exit mobile version