উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমপর্ব থেকেই বাদ পড়ার শঙ্কা জেগেছিল রিয়াল মাদ্রিদের। শেষদিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে সরাসরি শেষ ষোলোয় জায়গা না পেলেও প্লে-অফ খেলে রাউন্ড অব সিক্সটিনে ওঠার সুযোগ মেলে। একই অবস্থানে থাকা ম্যানচেস্টার সিটিরও একই পরীক্ষা ছিল। প্লে-অফে প্রতিযোগিতায় রেকর্ড শিরোপাধারী রিয়ালের মুখোমুখি হতে হয়েছে সিটিকে। শেষপর্যন্ত ম্যানসিটিকে বিদায় করে শেষ ষোলোর টিকিট কেটেছে রিয়াল।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে বুধবার রাতে প্লে-অফের ফিরতি লেগে ৩-১ গোলে জিতেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৩ গোলের ব্যবধানে শেষ ষোলোতে পৌঁছে গেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। অন্যদিকে গার্দিওলার অধীনে প্রথমবার নকআউটে যেতে ব্যর্থ হল ম্যানসিটি।
রিয়ালের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কাইলিয়ান এমবাপে। ম্যাচের অন্তিম সময়ে ম্যানসিটির হয়ে একটি গোল ব্যবধান কমান নিকো গঞ্জালেস।
৩-২ গোলে পিছিয়ে থেকে ফিরতি লেগ শুরু করেছিল ম্যানসিটি। রিয়ালের জালে একবার বল জড়ালেই স্কোরলাইন সমান। জমে যাবে ম্যাচ। কিন্তু এমবাপে সেই সুযোগ দেননি। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে চমৎকার এক গোল করে শুরুতে লিড এনে দেন। ৩৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান আরও বাড়ান ফরাসি তারকা। বিরতির পর ৬১ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এমবাপে। পরে যোগ করা সময় সিটি একটি গোল পরিশোধ করলেও জয়ের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না।
আরেক ম্যাচে ব্রেস্তের সঙ্গে প্রথম লেগে ৩-০ গোলে জিতে শেষ ষোলো একরকম নিশ্চিত করে রেখেছিল পিএসজি। ফিরতি লেগে ব্রেস্তের জালে বল জড়িয়েছে ৭ বার। দুই লেগ মিলিয়ে প্লে-অফে পিএসজির জয় ১০-০ গোলে। এই জয়ের পথে একটি রেকর্ড গড়েছে পিএসজি। এই ম্যাচে পিএসজির ৭টি গোল করেছেন ৭ জন আলাদা খেলোয়াড়। যা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে প্রথমবার ঘটল।
এদিকে স্পোর্টিং লিসবনের মাঠে প্রথম লেগে ৩-০ গোলে জিতে অনেকটা নির্ভার ছিল বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। ফিরতি লেগের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হলে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-০ গোলের জয় পেয়েছে ডর্টমুন্ড। যা তাদের নিয়ে গেছে শেষ ষোলোয়।
তবে পিএসভির সঙ্গে প্রথম লেগে ২-১ গোলে জিতে ফিরতি লেগে হেরে বসেছে জুভেন্টাস। দুই লেগ মিলিয়ে পিএসভির জয় ৪-৩ গোলে। এর ফলে ইতালি থেকে এসি মিলানের পর জুভেন্টাসও বিদায় নিয়ে নিলো নক আউটের আগেই।









