রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন হাসান মাহমুদ। প্রথম ইনিংসে কোনো উইকেট না পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট। তাতে স্বাগতিকদের অল্পরানে আটকে ৬ উইকেটের বড় জয়ের ভিত্তি পেয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে পেসারদের ভূমিকা ছিল দুর্দান্ত, বলছেন হাসান মাহমুদ।
ম্যাচ শেষে হাসান জানালেন, যে পরিশ্রম তারা করেছেন, যে প্রচেষ্টা দেখিয়েছেন, যতটা আত্মত্যাগ তাদের ছিল, তাতে এই টেস্টে জয় তাদের প্রাপ্যই ছিল।
ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ের ম্যাচ শেষে হাসান বলেছেন, ‘ক্রিকেটারদের দুর্দান্ত প্রচেষ্টা ছিল। আমি বলতে চাচ্ছি, এই সিরিজে তারা কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। আসলে, প্রথম মুহূর্ত থেকেই পেসারদের লক্ষ্য ছিল উইকেট শিকার করা। দলীয় এই প্রচেষ্টার ফল আমারা পেয়েছি, এটা আমাদের প্রাপ্য।’
‘আপনি জানেন যে, ম্যাচে ভালো করতে হলে পেসারদের কাছ থেকে সুবিধা নিতে হবে। সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বিশেষ করে লাল বলের ক্রিকেটে আপনার পেসা এবং স্পিন ইউনিটের একত্রিত হয়ে কাজ করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রথম ইনিংসে ২৭৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। জবাবে লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ২৬২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ১২ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দুই টাইগার পেসার হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানার বোলিং তোপে ১৭২ রানে অলআউট হয় স্বাগতিক দল। বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৮৫ রানের। জবাবে ৬ উইকেটে জয় পায় শান্ত বাহিনী।
এর আগে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ১০ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের আগে বিদেশে কেবল দুবার টেস্ট সিরিজ জিতেছিল টিম টাইগার্স। ১৫ বছর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল লাল-সবুজ দল। এছাড়া জিম্বাবুয়ের মাটিতে সিরিজ জেতার স্বাদ পায়, সেটা অবশ্য ছিল এক ম্যাচের সিরিজ।









