সিলেট থেকে: বড় জয় দিয়ে বিপিএল অভিযান শুরু করেছেন রংপুর রাইডার্স। চট্টগ্রাম রয়্যালসকে তারা হারিয়েছে ৭ উইকেট আর ৫ ওভার হাতে রেখে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার টস জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাটিংয়ে পাঠান রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রামকে শুরু থেকে চেপে ধরে রংপুরের বোলাররা। তাতে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১০২ রানে থামে চট্রগ্রাম। লক্ষ্যে নেমে কেবল ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে রংপুর।
রংপুরের বোলাররাই আসল কাজটা করে দিয়েছিলেন। জয়ের লক্ষ্য ছিল মাত্র ১০৩ রানের। ৭৩ বলে ৯১ রানের ওপেনিং জুটিতে জয় সহজ করে ফেলেন ডেভিড মালান আর লিটন দাস। হাফসেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে ফেরেন লিটন। ৩১ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় করেন ৪৭ রান।
এরপর তাওহিদ হৃদয়ও আউট হন ১ রান করে। দুটি উইকেটই শিকার করেন চট্টগ্রামের পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।
তবে দেখেশুনে খেলে ৪৫ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মালান। দল জয় থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে মাহমুদুল হাসান জয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এ ইংলিশ ব্যাটার। ৪৮ বলে ৫১ রানের ইনিংসে ৫টি চার আর ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি।
ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন খুশদিল শাহ। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত থাকেন ১ রানে।
এর আগে ৩ রানেই হারায় প্রথম উইকেট। বিদেশি অ্যাডাম রশিংটন ১ রান করে নাহিদ রানার বলে আউট হন। এরপর কিছুটা এগোয় রংপুর। কিন্তু ৩ বলের ব্যধানে আউট হন নাইম শেখ ও মাহমুদুল হাসান জয়। কোটি টাকার নাইম ২০ বলে ৩৯ করে ভালোই এগোচ্ছিলেন মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হওয়ার আগে। জয়কে ফেরান আলিস। ৪৬ রানে হারায় চট্টগ্রাম ৩ উইকেট।
পরবর্তীতে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বন্দর নগরীর দলটি। মাহিফজুল আলম ১, মাসুদ গুরবাজ ৯, শেখ মাহেদি হাসান ১ করে আউট হন। সবাইকে ফেরান পাকিস্তানের ফাহিম আশরাফ। ৭১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে একশো রান পার হওয়া নিয়ে শঙ্কায় পড়ে চট্টগ্রাম।
নোয়াখালীর বিপক্ষে ৮০ রান করা মির্জা বাইগ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করে বিদায় নেন মোস্তাফিজের বলে। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে সুফিয়ান মুকিম ফেরান তানভীর ইসলামকে ৬ রানে। ৮৮ রানে ৮ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রামের শেষ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন ফাহিম আশরাফ। আবু হায়দার রনি ১৩ ও শরিফুল ইসলাম ৬ রান করে আউট হলে মাত্র ১০২ রানে থামে চট্টগ্রামের ইনিংস।
ফাহিমের ৫ উইকেট ছাড়াও। ২ উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। সমান একটি করে উইকেট নাহিদ রানা, আলিস আল ইসলাম ও সুফিয়ান মুকিম।









