চট্টগ্রাম থেকে: রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ব্যাট হাতে দাঁড়াতেই পারেননি রায়ার্ন বুর্ল। গোল্ডেন ডাক মেরে ফিরে যান ডাগআউটে। সেটা পুষিয়ে দিয়েছেন বল হাতে। অপ্রতিরোধ্য রংপুরকে প্রথম হারের স্বাদ দেয়ার পথে বল হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৪ ওভারে ২২ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছেন জিম্বাবুয়ে অলরাউন্ডার। টি-টুয়েন্টিতে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে ম্যাচসেরা হয়েছেন বুর্ল। ম্যাচ শেষে জানালেন সাফল্যের পেছনের রহস্য।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে জিতে রাজশাহীকে আগে ব্যাটে পাঠায় রংপুর। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১৭০ রান তোলে রাজশাহী। জবাবে নেমে ইনিংসের চার বল বাকি থাকতে ১৪৬ রানে গুটিয়ে যায় রংপুরের ইনিংস। প্রয়োজনের সময় গুরুত্বপূর্ণ সব ব্রেক-থ্রু এনে দেয়া বুর্ল জানালেন কৌশলের কথা।
‘আসলে গতির বৈচিত্র কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিলাম। খেয়াল করলে দেখবেন, ওরা লেগ স্পিন ডেলিভারিগুলো বড় শটের তেমন চেষ্টা করেনি। জোরের উপর করা বলগুলো মারার চেষ্টা করেছে, সেখান থেকেই উইকেট পেয়েছি।’
চিটাগং কিংসের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় অ্যাঙ্কেলে চোট পান বার্ল। তাই পরে ব্যাটিংয়ে নামতে পারেননি। তিন দিনের বিরতিতে সেই চোট কাটিয়ে ব্যাটিংয়ে ফিরলেও সুবিধা করতে পারেননি। অষ্টম ওভারে ব্যাটিংয়ে গিয়ে প্রথম বলে উইকেট দিয়ে ফেরেন। তবে আগের ম্যাচগুলোতে ব্যাটে সফল বুর্ল। সবমিলিয়ে ৯ ইনিংসে এক ফিফটির সঙ্গে তিনটি চল্লিশছোঁয়া ইনিংস খেলেছেন। ৬১.২৫ গড় ও ১৪৭ স্ট্রাইক রেটে সংগ্রহ ২৪৫ রান। ব্যাটিং পারফরম্যান্সে চলতি আসরে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন আরেকবার।
এবার ব্যাটিংয়ে ভালো না করতে পারলেও বোলিংয়ে অবদান রাখতে পেরে সন্তুষ্ট বুর্ল। বলেছেন, ‘শূন্য রানে আউট হওয়া অবশ্যই হতাশাজনক। তবে অলরাউন্ডার হওয়ার সৌন্দর্য্য এটাই। খেলাটির অন্যদিক দিয়েও অবদান রাখা যায়। সেটি করতে পারায় খুব খুশি।’









