রাঙ্গামাটির পাহাড়ি পরিত্যক্ত জমিতে কয়েকজাতের বরই বা কুল নিয়ে বাগান করেছেন এক কৃষি উদ্যোক্তা। ২০১৬ সালে প্রায় ১০ একর জমিতে নানা ধরনের ফলের চারা সংগ্রহ করে বাগান করেন তিনি। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির কুল অন্যতম।
পাহাড়ি উঁচুনীচু ঢালে এক হাজার কুল গাছ লাগিয়েছেন তিনি।
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদঘেষা পাহাড়ের পরিত্যক্ত ১০ একর জমিতে কৃষি উদ্যোক্তা সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা এই বাগান গড়ে তুলেছেন । রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের সোনারাম কার্বারি পাড়ায় এই বাগান মানুষের মঝে সাঁড়া ফেলেছে।
বাগান মালিক সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা জানান, বল সুন্দরী, কাশ্মেরী আপেলকুল ও দেশিজাতের বরই রয়েছে তার বাগানে। বাগানে আম, কাঁঠাল, লটকন, লিচু, পেঁপে, আমলকি, তেঁতুল, মাল্টা, লেবু, বেল, নারকেল, সুপারি, রাম্বুটানসহ বারোমাসি ফলগাছও রয়েছে। এবছর শুধু কুল বিক্রি করে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা আয় করার আশা করছেন তিনি।
রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তপন কুমার পাল বলেন, রাঙ্গামাটি জেলায় এবার সাতশ’ ৭০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ হয়েছে। এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাত হাজার ছয়শ’ মেট্রিক টন।
স্থানীয় বাজারে এই কুল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে একশ’ ২০ থেকে দেড়শ’ টাকায় ।








