ইংল্যান্ডের দেয়া ১৯২ রানের লক্ষ্যে নেমে তৃতীয় দিন শেষে বিনা উইকেটে ৪০ রানে ছিল ভারত। জয়ের সুবাস পাচ্ছিল স্বাগতিক দলটি। চতুর্থ দিনে ৩৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে কিছুটা হোঁচট খায় রোহিত শর্মার দল। পরে হাল ধরেন দুই তরুণ শুভমন গিল ও ধ্রুব জুরেল। তাদের ৭২ রানের অবিচ্ছিন্ন ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে দ্বিতীয় সেশনে ৫ উইকেটের জয় তোলে ভারত। পাঁচ টেস্টের সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিলো রোহিতবাহিনী।
রাঁচি টেস্টে সোমবার চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল আরও ১৫২ রান, হাতে ছিল ১০ উইকেট। দুই ওপেনার রোহিত শর্মা-যস্বী জয়সওয়াল দিনের শুরুটা দেখেশুনে করেছিলেন। দুজনের নৈপুণ্যে কোনো বিপদ ছাড়াই ৮৪ রান তোলে ভারত।
এরপর বোলিংয়ে পরিবর্তন এনে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বেন স্টোকস। বল হাতে জয়সওয়ালকে ফিরিয়ে ভারতকে প্রথম ধাক্কা দেন রুট। তাকে মারতে গিয়ে অ্যান্ডারসনের দারুণ এক ক্যাচে ফিরে যান জয়সওয়াল। কয়েক ওভার পরে হার্টলির বলে ফেরেন রোহিতও। ৬ বলের মাঝে রজত পাতিদারকে আউট করে খেলা জমিয়ে তোলেন শোয়েব বশির।
দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া ভারতকে সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন শুভমন গিল ও রবীন্দ্র জাদেজা। ধীরে ধীরে দলের স্কোর এগিয়ে নিচ্ছিলেন তারা। লাঞ্চের পর দুই বলে জাদেজা ও সরফরাজ খানকে ফিরিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন বশির।
বশির-হার্টলির দুর্দান্ত বোলিং জয়ের স্বপ্ন কিছুটা হলেও দেখতে শুরু করে সফরকারী দল। তাতে পানি ঢালেন গিল ও জুরেল। তাদের ৭২ রানের অনবদ্য জুটিতে ভর করে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে টিম ইন্ডিয়া। দেড় দিন বাকি থাকতে ৫ উইকেট হাতে রেখে ইংলিশদের হারায় ভারত। ১২৪ বলে ৫২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন গিল এবং অপরাজিত জুরেলের ব্যাট থেকে আসে ৭৭ বলে ৩৯ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের ৫ উইকেটের মধ্যে বশির একাই নেন ৪ উইকেট। হার্টলি ও জেমস অ্যান্ডারসন একটি করে উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে ৯০ ও দ্বিতীয়টিতে অপরাজিত ৩৯ রান করে ম্যাচসেরার পুরস্কার পান জুরেল।
৭ মার্চ হিমাচলে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টে মুখোমুখি হবে ভারত-ইংল্যান্ড। হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামের বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় মাঠে গড়াবে ম্যাচ।







