মাঠের চেয়ে মাঠের বাইরের কাণ্ডে বিতর্কিত দুর্বার রাজশাহী। বাইরের বিতর্ক আবার খুব একটা প্রভাব ফেলছে না রাজশাহীর মাঠের খেলায়। বিতর্কের তুঙ্গে থেকে টানা দুই ম্যাচে রংপুর রাইডার্সকে হারিয়েছে দলটি। লিগপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে তাসকিন আহমেদের দল। টানা তিন জয়ে প্লে-অফের পথে এগিয়ে থাকল তারা।
সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটে নামে সিলেট। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১১৭ রানে থামে তাদের ইনিংস। জবাবে ১৯ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় রাজশাহী।
আসরে ১২ ম্যাচ খেলে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে আছে রাজশাহী। প্লে-অফের দৌড়ে এগিয়ে গেলেও তাদের লড়াই খুলনা ও চিটাগং কিংসের সাথে। ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে চারে চিটাগং। বন্দরনগরীর দলটি আর অন্তত একটি ম্যাচ জিতলেও ভাগ্য বদলে যেতে পারে রাজশাহীর। সেক্ষেত্রেও প্লে-অফ থেকে ছিটকে যাবে না দলটি। তবে খুলনার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে এখনও টিকে আছে খুলনা। তাদের বাকি দুটি ম্যাচ রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে। একটি ম্যাচে হারলেই প্লে-অফ নিশ্চিত হবে রাজশাহীর। অন্যথায় রানরেটের সমীকরণের মুখোমুখি হতে হবে দলটিকে।
মিরপুরে সিলেটকে শুরু থেকেই চেপে ধরেন রাজশাহী বোলাররা। ব্যাটারদের বড় ইনিংস খেলার সুযোগ দেননি তারা। সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেছেন আহসান বাট্টি। জাকির হাসান ২৫ বলে ২৪ রান এবং সুমন খান ১১ বলে ২০ রান করেন।
রাজশাহীর হয়ে এসএম মেহেরাব ৪ ওভারে ১৫ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও আফতাব আলম।
জবাবে নেমে শুরুতে চাপে পড়ে রাজশাহী। ২২ রানে ৪ উইকেট হারায় দলটি। আকবর আলি ও রায়ান বুর্ল হাল ধরেন। দলীয় ৯৭ রানে আকবর ফিরে যান। ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৮ বলে ৪৩ রান করে। পরে এসএম মেহেরাবকে নিয়ে রাজশাহীর জয় নিশ্চিত করেন রায়ান। ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৪ বলে ৪৮ রান করেন জিম্বাবুয়ে ব্যাটার। মেহেরাব অপরাজিত থাকেন ৫ রানে।
সিলেটের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব ও জন-রুস জাগেসার। আহসান বাট্টি নেন এক উইকেট।









