পারিশ্রমিক সংক্রান্ত বিতর্ক ও সমালোচনা থেকে বের হতে পারছে না দুর্বার রাজশাহী। একের পর এক বিতর্কের সৃষ্টি করছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। আসরের শুরু থেকে এপর্যন্ত কয়েক দফায় তারা শিরোনাম হয়েছে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত জটিলতায়। সবশেষ এসেছে খেলোয়াড়দের চেক বাউন্স হওয়ার খবর, এটি দ্বিতীয়দফা ঘটল। এরমাঝেই রাজশাহীর ম্যানেজার ও জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার মেহরাব হোসেন অপি জানালেন, তিনিও এখন পর্যন্ত কোনো পেমেন্ট পাননি।
মঙ্গলবার রাজশাহীর অনুশীলন না থাকলেও মিরপুর শের-ই-বাংলায় আসেন মেহরাব হোসেন অপি। সেখানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান পেমেন্টে না পাওয়ার কথা।
‘আমি এখনও পাইনি। আমাকে কোনো চেক দেয়নি। আমি এটা নিয়ে চিন্তিত না। কারণ, মালিকপক্ষের পক্ষ থেকে আমাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে এই ব্যাপারে। তবে খেলোয়াড়রা পেয়েছে। ২৫ শতাংশ যা দেয়ার কথা ছিল, সেটা তারা পেয়েছে। গত পরশুদিন খেলোয়াড়দের ২৫ শতাংশের চেক দেয়া হয়েছে।’
সোমবার ব্যাংকে চেক জমা দিয়েছিলেন ক্রিকেটাররা। সেই চেকের টাকা মঙ্গলবার পাওয়ার কথা থাকলেও পাননি। এবারও চেক বাউন্স হতে পারে বলে শঙ্কিত দলটির ক্রিকেটাররা। একাধিক ক্রিকেটার জানিয়েছেন, এখনও তারা টাকা পাননি। এমনকি ব্যাংক থেকে কোনো মেসেজ আসেনি। দ্বিতীয়বার চেক বাউন্সের বিষয়ে অপি কিছুই জানেন না বলছেন।
‘এ ব্যাপারে ক্রিকেটাররা আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানায়নি। কিংবা কেউ বলেনি যে চেক বাউন্স করেছে। যে জিনিসটা জানি না সেটি নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমাকে কিন্তু কেউ বলেনি যে বাউন্স করেছে। দেখুন, এখনও যেহেতু আমাদের হাতে সাত দিন সময় আছে, আমি মনে করি এরইমধ্যে সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে।’
সোমবার লিগপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচটি খেলে ফেলেছে রাজশাহী। ১২ ম্যাচে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের পথে অনেকটা এগিয়ে আছে তাসকিন আহমেদের দল। অপির আশা, রাজশাহী প্লে-অফে গেলে এমনকিছু হবে না আর।
‘আমাদের বিদেশী খেলোয়াড়রা প্রস্তুত আছে। দেখেছেন যে শেষ ম্যাচে তারা খেলেছে। আমরা যদি প্লে-অফে যাই, তাহলে তারা খেলবে। খেলোয়াড়রা সবাই হোটেলেই আছে। কেউ হোটেল ছেড়ে যায়নি। আমরা সবাই একসাথেই আছি।’









