গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে কক্সবাজারসহ দেশজুড়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র তাপপ্রবাহ। গত ১৪ এপ্রিল জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। অতিরিক্ত গরমে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন বৃষ্টির জন্য প্রার্থনায় মশগুল ছিল। অবশেষে লোনা জলের সমুদ্রশহরকে গা ভিজিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি।
বৃহস্পতিবার ২ মে সকাল থেকে বৃষ্টি নেমেছে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে মানুষ।
আবহাওয়া অফিস বলছে, বৃষ্টি থাকবে আরও কয়েকদিন। তাপমাত্রা কমে আসছে। সকাল ৯টায় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৭৭ শতাংশ। আর বৃষ্টি চলাকালীন দুপুর ১২টায় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ।
বৃষ্টির দেখা পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঝড় তুলেছেন নেটিজেনরা। তাদের টাইমলাইনজুড়ে বৃষ্টির গান ও কবিতার স্ট্যাটাস। অনেকে গায়ে বৃষ্টি মেখে বাড়ির ছাদ ও রাস্তার ধারে দুহাত উঁচিয়ে স্বস্তি নিচ্ছেন। অনেকে এদিক-ওদিক ছুটে চলছেন।
কক্সবাজার শহরের সিয়াম সোহেল বলেন, অনেকদিন বৃষ্টির অপেক্ষায় ছিলাম। অতিরিক্ত গরম সহ্যের পর বৃষ্টি দেখা দিয়েছে। তাই বৃষ্টিস্নানের ভিডিও তৈরি করে প্রিয়জনকে পাঠালাম। বৃষ্টিভেজা শরীরে অনেক ভালো অনুভূতি হচ্ছে।
শহরের ঘুনগাছ তলার রিকশাচালক সেলিম কায়সার বলেন, এই কয়েকদিনে যে গরম পড়েছে, রিকশার প্যাডেল ঘুরালে মনে হয় জানটা বেরিয়ে যাবে। আজ স্বস্তির বৃষ্টি হচ্ছে। কী-যে ভালো লাগছে বলে বুঝাতে পারবো না।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান বলেন, বৃষ্টি আগামীকালও থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ বাড়লে তাপমাত্রা কমে যাবে।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন সকাল ৯টায় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৭৭ শতাংশ। আর বৃষ্টি চলাকালীন দুপুর ১২টায় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ।









