বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার পর এবার ঘরের মেয়ের বিদায়ের পালা। আবু জানি সন্দীপ খোসলার ডিজাইন করা এবং গুজরাটি পানেটার দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি লাল এবং সাদা লেহেঙ্গায় নিজেকে বিয়ের জন্য সাজানোর পর, রাধিকা মার্চেন্ট তার বিদায়ের অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নেন একটি সিন্দুরি লাল লেহেঙ্গা।
কয়েক মাস ধরে চলা প্রাক-বিবাহ উৎসব চলার পর শুক্রবার (১২ জুলাই) এই দম্পতি মুম্বাইয়ে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন। বলিউড থেকে ক্রিকেট তারকা, বড় বড় ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিবিদ, হলিউড তারকাদের নিয়ে শুক্রবার বিকেলের পর থেকেই জমে উঠেছিল তাদের বিয়ের আসর।

রাধিকা মার্চেন্টকে তার বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য স্টাইল করেছিলেন রিয়া কাপুর। রাধিকার সেই লুকের ছবি নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন রিয়া। লেহেঙ্গাটি ছিল মনীশ মালহোত্রার ডিজাইনিং। পোশাকটিতে রয়েছে কাস্টম এনসেম্বলে একটি ব্লাউজ, একটি ব্রোকেড লেহেঙ্গা স্কার্ট, একটি সিল্কের দোপাট্টা এবং একটি ওড়না। শাড়ি ড্রেপিং বিশেষজ্ঞ ডলি জৈন রাধিকাকে চমৎকার লুকে সাজাতে সহযোগিতা করেছেন রিয়াকে। মেকআপ এবং চুলের দায়িত্বে ছিলেন হিরাল ভাটিয়া এবং লাভলিন রামচন্দা।
রাধিকার কাস্টম মনীশ মালহোত্রার লেহেঙ্গাটি ঐতিহ্যবাহী আবো এবং গুজরাটের কচ্ছের সমৃদ্ধ টেক্সটাইল ঐতিহ্য দ্বারা অনুপ্রাণিত। পুরো পোশাক জুড়ে ছিল সোনার সুতো দিয়ে হাতে বানানো কারচুপি কাজ। মণীশ এর সঙ্গে টিম আপ করেছেন একটি দুর্দান্ত ব্যাকলেস ব্লাউজ দিয়ে।

জানা গেছে, এটি ১৯ শতকের শেষের দিকের শিল্পকে তুলে ধরে। অপরদিকে, ব্রোকেড সিল্ক লেহেঙ্গা ভারতের নিরন্তর শোভার প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।লেহেঙ্গাটি মূলত: সূর্যাস্তের রঙের এবং তাতে ছিল বেনারসি ব্রোকেড প্রিন্ট।
রাধিকার বিদায়ের রাজকীয় লুকটি সম্পূর্ণ করেছে একটি বেনারসি সিল্কের দোপাট্টা। এই দোপাট্টাটিতেও ছিল খাঁটি সোনা দিয়ে তৈরি হাতের কাজ। রেশমের সুতো দিয়ে কাজ করা হয় গোটা পোশাকটিতে।

রাধিকা বিয়েতে যে গয়না পড়েছিলেন সেই একই গয়না বেছে নেন নিজের বিদায়ের জন্য। গলায় জোড়োয়ার চোকার এবং হীরে পান্নার মিশেলে তৈরি পাঁচ লহরি হার পরেছিলেন তিনি। সঙ্গে ম্যাচিং টিকলি, কানের ঝুমকো, রতনচুর পরেছিলেন। বাদ যায়নি সাদা লাল এবং হীরের চুরি। সঙ্গে ছোট্ট লাল টিপ এবং উজ্জ্বল মেকাপে সাজ সম্পন্ন করেছিলেন তিনি। এই গয়নাগুলি রাধিকার পরিবারে বংশ পরম্পরায় চলে এসেছে। তার বোন অঞ্জলি মার্চেন্টও বিয়ের দিন এগুলি পরেছিলেন।








