রাফাহ ক্রসিংসহ ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মিশর ও কাতার।
শনিবার ৬ সেপ্টেম্বর কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসরায়েলি টেলিগ্রাম চ্যানেল আবু আলি এক্সপ্রেসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, গাজা পুনর্গঠনের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে এবং অভিযোগ করেছেন, জনসংখ্যার অর্ধেক গাজা ছেড়ে যেতে চায়। তিনি দাবি করেছেন, এটি গণ বহিষ্কার নয়। আমি তাদের জন্য রাফাহ খুলে দিতে পারি, তবে মিশর তাৎক্ষণিকভাবে এটি বন্ধ করে দেবে।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে, মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্তব্যকে এই অঞ্চলে উত্তেজনা দীর্ঘায়িত করার এবং অস্থিতিশীলতা বজায় রাখার চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। মন্ত্রণালয়টি জানায়, এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং যুদ্ধাপরাধের সমান। যা সহ্য করা যায় না।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিশর কখনই এই ধরনের অনুশীলনে জড়িত হবে না বা ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করার জন্য কাজ করবে না।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও নেতানিয়াহুর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে এবং একে ভ্রাতৃপ্রতিম ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার লঙ্ঘনের জন্য দখলদার বাহিনীর দখল পদ্ধতির সম্প্রসারণ বলে অভিহিত করেছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে দখলদার বাহিনীর দ্বারা পরিচালিত সম্মিলিত শাস্তির নীতি … ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের ভূমি ছেড়ে যেতে বাধ্য করতে বা তাদের বৈধ অধিকার কেড়ে নিতে সফল হবে না।
গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে মানবিক সাহায্য পৌঁছাতে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মিশর ও কাতার। আর এই প্রচেষ্টার মধ্যেই এই বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে।
আল জাজিরার হামদা সালহুত বলেছেন, নেতানিয়াহুর মন্তব্য অবিশ্বাস্যভাবে বিতর্কিত কারণ ইসরায়েলি সরকারই গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের বের করে দিতে চায়।









