যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের নাম রাজধানীর পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে। এই এক্সপ্রেসওয়ে যানজট কমিয়ে সারা দেশের সাথে নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় এই প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ দিকে। আগামী মাসের যেকোন দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।
দৃষ্টিনন্দন এই এক্সপ্রেসওয়ের কাজের অগ্রগতি এবং উদ্বোধনের কথা জানিয়েছেন ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড কমান্ডার জেনারেল মো. মনোয়ারুল ইসলাম সরদার। তিনি বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অনন্য দৃষ্টান্ত রাজধানীর এই পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে।
প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে- ‘কুড়িল পূর্বাচল লিংক রোডের উভয় পাশে, কুড়িল থেকে বালু নদী পর্যন্ত ১০০ ফুট চওড়া খাল খনন ও উন্নয়ন প্রকল্প’। অসাধারণ এই প্রকল্পটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- রাজউক ও সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড বাস্তবায়ন করছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ১২ দশমিক ৩ শূন্য কিলোমিটার দীর্ঘ ১২ লেনের এই এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সংযোগ স্থাপন করেছে।
এসময় আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন ও সৌন্দর্যবর্ধনসহ প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল শেখ আহমেদ শাফি।
সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১০ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন হয়। ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে কাজ শুরু হয় প্রকল্পটির। চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা।







