সিরিয়ায় সুকায়লাবিয়াহ শহরের প্রধান চত্বরে ক্রিসমাস ট্রিতে আগুনের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই শহরটি খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এতে দেশটির নতুন ইসলামপন্থী কর্তৃপক্ষকে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানানো হচ্ছে এবং ঘটনার জের ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
আজ (২৫ ডিসেম্বর) বুধবার বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার রাজধানী দামেস্কের একাংশসহ বিভিন্ন এলাকায় আগের চেয়েও অনেক বেশী বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসে। “সিরিয়া এখন মুক্ত, নন-সিরিয়ানদের চলে যাওয়া উচিত”, “আমরা আমাদের ক্রসের জন্য জীবন দেবো” এই ধরণের শ্লোগান দিচ্ছিলেন তারা। দামেস্কের কাছে বাব তৌমা এলাকায় বিক্ষোভকারীরা একটি ক্রস আর সিরিয়ার পতাকা বহন করছিলেন।
সিরিয়ার ইসলামপন্থী এই সংগঠন হায়াত তাহরির আল-শাম এইচটিএস ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, এই ঘটনায় কয়েকজন বিদেশী যোদ্ধাকে আটক করা হয়েছে। এই সংগঠনটির নেতৃত্বেই সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকার উৎখাত হয়েছে। এইচটিএস প্রতিনিধিরা সিরিয়ার ধর্মীয় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের স্বাধীনতা ও অধিকার সুরক্ষার অঙ্গীকার করেছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা যাচ্ছে ক্রিসমাসের আগের রাতে ক্রিসমাস ট্রিতে আগুন দিচ্ছে দুই মুখোশধারী। ভিডিওতে দেখা যায় ঘটনার পর সুকায়লাবিয়াহ চত্বরে বিক্ষুব্ধদের সামাল দেয়ার চেষ্টা করছেন এইচটিএস এর ধর্মীয় নেতা। খ্রিস্টানদের সাথে সংহতি প্রকাশ করতে তাকে ক্রস ধরে থাকতে দেখা যায়, যা সাধারণত রক্ষণশীল ইসলামপন্থীরা করেন না।
শিয়া ও সুন্নি মিলে দেশটির মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী। দুই সপ্তাহ আগে বিদ্রোহীদের হাতে উৎখাত হয়েছেন দীর্ঘদিন যাবত প্রেসিডেন্ট থাকা বাশার আল-আসাদ। তিনি ও তার পিতা ৫০ বছরেরও বেশী সময় দেশটি শাসন করেছেন।









