নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে লাগাম টানতে নতুন ধারণা দিয়েছেন যুগ্মসচিব কাজী আবেদ হোসেন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের এই মডেল অনুযায়ী, গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত পণ্যমূল্য নির্ধারণ ও তা বাস্তবায়নে কাজ করবে দু’টি আলাদা কমিটি।
এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা গেলে বাজারদর সহনীয় পর্যায়ে রাখা যাবে বলে আশা করছেন পরিকল্পনাকারী এই সরকারি কর্মকর্তা।
চাঁদাবাজ, মধ্যস্বত্বভোগী আর মজুতদারদের সিন্ডিকেটে বেড়ে যায় বাজারদর। সরকার বদলালেও বাজারে স্বস্তি ফেরেনি, বরং আরও চাপে পড়েছে কম আয়ের মানুষ।
যুগ্মসচিব কাজী আবেদ হোসেনের দাবি, এ ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত জনবল ও খরচ ছাড়াই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের এই মডেল কার্যকরে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
উল্লেখ্য, গত বছরের তুলনায় নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে চাল- ৭-১০ শতাংশ, মুগ ডাল- সাড়ে ৪৩ শতাংশ, আলু- সাড়ে ৭ শতাংশ, সয়াবিন তেল (লুজ)- সাড়ে ১০ শতাংশ, সয়াবিন তেল (বোতল)- ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ, পিঁয়াজ (দেশি)- ২৫ শতাংশ, পিঁয়াজ (আমদানি)- ১৯ শতাংশ, ব্রয়লার মুরগি- ৭ শতাংশ।









