‘কাগজে কলমে ডিভোর্স হয়নি তো কী হয়েছে। আমি রাজের বউ, এটা আর শুনতে চাই না। কারণ এটা এই মুহূর্তে আমার জন্য এখন অনেক অসম্মানজনক। যে মানুষ আমাকে সম্মান করতে জানে না, সেই মিথ্যে সম্পর্ক আমি আর বহন করতে চাই না।’
সোমবার রাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলোর লাইভ আড্ডার একটি অনুষ্ঠানে এসে চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সঙ্গে সম্পর্ক ও এই সময়ের জটিলতা নিয়ে মুখ খুলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তারই এক পর্যায়ে রাজের উদ্দেশে পরী বলেন, ‘আজকেই বলছি, যত দ্রুত সম্ভব আমাদের সম্পর্ক নিয়ে সবকিছু সেটেলডাউন করে ফেলি। আর এটা নিয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে হবে, এটা আমি আর চাই না। এখানে ফুলস্টপ করতে চাই। আমার আর কোনোকিছু বলার নেই। কাউকে ব্লেম দিতে আমি বসে নেই। কিন্তু আমার উপর যে ব্লেমগুলো আসছিলো, সেগুলো ক্লিয়ার করতেই আমি এখানে এসছি। তারপরও এ নিয়ে কারও যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তারা যেন আমার সামনাসামনি এসে কথা বলে।’
কিছুদিন আগে চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের ফেসবুকে নায়িকা সুনেরাহ বিনতে কামাল, তানজিন তিশা, নাজিফা তুষির কিছু ছবি ও ভিডিও ক্লিপস ফাঁস হয়। যদিও কুড়ি মিনিটের মধ্যেই সেগুলো আবার সরিয়ে নেয়া হয়। তবে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনও চলছে নানা তর্ক-বির্তক।
রাজের ফোন থেকে ছবি ও ভিডিও ক্লিপগুলো পরী প্রকাশ করেছে, এমন ইঙ্গিত করেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন সুনেরাহ। পরীকে না দুষলেও পরবর্তীতে রাজ ও তানজিন তিশা এ বিষয়ে পৃথক বিবৃতি দেন। সবাই আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন। তবে ঘটনার সপ্তাহখানেক চলে গেলেও আইনি ব্যবস্থা নিয়ে কারও পক্ষ থেকেই কিছু শোনা যায়নি।
এরমধ্যেই রবিবার রাতে ‘মেরিল ক্যাফে লাইভ’ অনুষ্ঠানে এসে রাজ সাম্প্রতিক এসব জটিলতা নিয়ে মুখ খুলেন। ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনির সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের মধ্যে চিত্রনায়ক শরীফুল রাজ বলছেন, আপাতত তারা সেপারেশনে আছেন।
শুধু তাই নয়, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার ভাববেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে রাজকে বলতে শোনা যায়, ‘সেটার আর কোনো সুযোগ নেই।’ পরীর উদ্দেশে বলেন,‘বেবি, আই লাভ ইউ। যা-ই হোক না কেন, আনন্দে থেকো। আমরা আমাদের সন্তানকে ভালো রাখব।’
রাজের এমন লাইভের ঠিক পরদিনই একই লাইভ অনুষ্ঠানে আসেন পরীমনি। যেখানে তাদের সম্পর্ক কবে থেকে জটিল হতে শুরু করেছে, এসব বিষয়ে বিস্তারিত বলেন পরী। সেখানে তিনি জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকেই মূলত সমস্যার সূত্রপাত। তখন থেকেই তাদের সম্পর্কে অন্যদিকে মোড় নিতে থাকে। যা মে মাসের ২০ তারিখে এসে চূড়ান্ত জটিলতায় রূপ নেয়। এদিনই রাজ বাসা থেকে বের হয়ে যান। আর ফেরেননি!








