টাঙ্গাইলে গত ২৫ জানুয়ারি একটি কসমেটিক ব্র্যান্ডের শোরুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল চিত্রনায়িকা পরীমনির। কিন্তু স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে স্থগিত করা হয় অনুষ্ঠানটি। বিষয়টির সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শনিবার রাতে স্ট্যাটাস দেন পরী।
তিনি লিখেছিলেন, ‘শিল্পীদের এতো বাধা কেন আসবে? নিরাপত্তাহীন অনুভব হচ্ছে! এমন স্বাধীন দেশে নিরাপদ নই কেন আমরা! এর আগে মেহজাবীন, পড়শী এমন হেনস্থার শিকার হয়েছেন। ধর্মের দোহাই দিয়ে কি প্রমাণ করতে চলেছেন তারা?’
পরীমনি বলেন, কী বলার আছে আর। এদেশে সিনেমা/ বিনোদন সব বন্ধ করে দেয়া হোক তাহলে। তাহলে কি আমরা ধরে নেব, আমরা ইমোশনালি ব্যবহার হয়েছিলাম তখন! নাকি এখন হচ্ছি? কোনটা? এই দায়ভার কিন্তু আমাদের সবার নিতে হবে।
রাতে এই পোস্টের কয়েক ঘণ্টা পরে তিনবছর আগের বোটক্লাব কাণ্ডের মামলায় পরীমনিকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
পূর্ব ঘোষণা দিয়েও টাঙ্গাইলে শো-রুম ওপেনিংয়ে যেতে না পেরে ক্ষোভ ঝেড়ে পরীমনি পোস্ট দেয়ার কারণ হিসেবে বলেন, আমার মনে হলো বিষয়টি সামনে আনা দরকার। না হলে ধীরে ধীরে এটা আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। এখনওই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তিনি বলেন, হয়তো আমার জায়গায় অন্যকেউ হলে চুপ থাকতেন। কিন্তু আমি তো চুপ থাকতে পারি না। আমি চুপ থাকার মেয়ে না। যা সত্যি তা তো বলতেই হবে। এটা তো আমার দেশ, আমার ইন্ডাষ্ট্রি। নিজের দেশে কেনো নিরাপদে কাজ করতে পারব না?
ফেসুবকে পোস্টের পরদিনই পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরী বলেন, প্রতিবাদ করার জন্য যদি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় তাহলে কষ্টকর। মানুষ কথা বলা ছাড়া কিভাবে থাকবে। যে চুপ থাকতে চায় সে চুপ থাকুক। কিন্তু যে বলতে চায় তাকে তো বলতে দিতে হবে। তবে এটি যেহেতু আদালতের বিষয়, আইনীপ্রক্রিয়া আমিও আইনিপ্রক্রিয়াতেই হাটব। বিষয়টি আমার আইনজীবীই দেখছে।









