আচমকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন নিকোলাস পুরান। টি-টুয়েন্টির মারকুটে ব্যাটার চাইলেই বিশ্ব আসরে খেলে অবসর নিতে পারতেন। মূলত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে বেশি সময় দিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি মনে করছেন, আরও অনেক ক্রিকেটার পুরানের মতো ভুল পথে পা বাড়াবেন।
টি-টুয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক ছিলেন পুরান। সংস্করণে দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তাকে রেখে আসছে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিকল্পনা করছিল ক্যারিবিয়ানরা। বৈশ্বিক আসরটি শুরুর ৮ মাস আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা থামিয়ে দিলেন তিনি।
২০১২ ও ২০১৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে যার নেতৃত্বে শিরোপা জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সেই স্যামি বলেছেন, ‘’আমার মনে হচ্ছিল, এমনকিছু ঘটবে। নিকোলাস আমাকে একটা বার্তা পাঠিয়েছিল, তার এজেন্টের সঙ্গেও আমার কথা হয়, যখন (পুরানের সঙ্গে) যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে কথা বলি এবং আমাদের আলোচনা হয়, তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘তুমি কি কেবল যুক্তরাজ্য সফরে থাকবে না, নাকি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য?’ এরপর যে উত্তর পেয়েছিলাম, বুঝে গিয়েছিলাম আমাকে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।’’
‘আসলে তার মতো প্রতিভাকে দলে পেতে চাইব। কিন্তু কারও ক্যারিয়ার আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না এবং পারবও না, তাকে শুভ কামনা জানিয়েছি, সেও দলের জন্য শুভ কামনা জানিয়েছে। এখন পুরানকে ছাড়া সামনের পথচলার জন্য আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে। সামনে বিশ্বকাপ, আমরা যেন তাকে ছাড়া পরিকল্পনা করতে পারি, সেজন্য অনেক আগে সে আমাদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, আমি এই বিষয়টিকে সম্মান করি।’
‘আমি নিশ্চিত, আরও অনেকে এই পথ অনুসরণ করবে, এমন কিছু ভাববে। টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটটা এখন এমন, বিশেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হই সেটা হল, আমাদের ক্রিকেটারদের জাতীয় দলের জন্য খেলতে অনুপ্রাণিত রাখার চেষ্টা করতে হয়, তাই অবাক হইনি। সবাই হেইনরিখ ক্ল্যাসেন, কুইন্টন ডি কককে নিয়ে কথা বলছে, যারা অবসর নিয়েছে। এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।’









