যদি সঠিকভাবে সমস্যা চিহ্নিত করা যায় তবেই নীতিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
আজ (১৪ অক্টোবর) সোমবার উই সোসাইটি বাংলাদেশের আয়োজনে আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবসে কার্যকর ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি সেমিনারে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।
তিনি বলেন, ২০২১ নীতিমালা কীভাবে পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ প্রয়োজন মন্ত্রণালয়ের। কতটা বাস্তবায়ন হল সে ব্যাপারে খোজ নেওয়া হবে।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, সৃষ্টিশীলতা এবং ইনোভেশন থামানো যাবে না। উৎপাদক সবসময়ই ভোক্তাকে নতুন পণ্যর জন্য আকৃষ্ট করে। সেই সাথে পুরোনো পণ্যগুলোর ব্যবস্থাপনার দিকেও মনোযোগ দেওয়া উচিত।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, যে পরিমাণ জাহাজ আসে উন্নত বিশ্ব থেকে সেখান থেকে লোহাসহ অন্যান্য পণ্য পাওয়া যায়। কিন্তু তার সাথে আসে বিপুল পরিমান ই-বর্জ্য।
রিসাইকেল শিল্প বিষয়ে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, রিসাইকেল শিল্প এখনও সরকারি দেখভালের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠার ব্যাপারে অনেক বেশি নির্ভরশীল।
তিনি বলেন, এক জায়গা থেকে সংগ্রহ করে আরেক জায়গায় পৌঁছে দেওয়া রিসাইকেল নয় বরং সঠিক প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ এবং পুনপ্রক্রিয়াজাত করাই হলো রিসাইকল।









