সিজনাল বন্যা বা অগ্নিকাণ্ড নয়, বছরজুড়ে মানুষের পাশে থাকেন অভিনেতা ও নির্মাতা জিয়াউল হক পলাশ। সুখ-দুঃখে মানুষের পাশে থেকে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের কাবিলা খ্যাত এই অভিনেতার ‘ডাকবাক্স’ নামে একটি ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে। যখনই প্রয়োজন পড়ে সারাদেশের ভলেন্টিয়ারের মাধ্যমে পলাশ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। অনেকটা নিরবে নিভৃতে কাজ করছে পলাশের এ ফাউন্ডেশনটি।
পলাশ নিজে নোয়াখালীর সন্তান। বলতে গেলে ফেনী, নোয়াখালী তার নিজের এলাকা! ওইসব অঞ্চল পানিতে তলিয়ে আছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় পলাশের ডাকবক্সের ২৭ জন ভলেনটিয়ার কাজ করছে। একটু পর পর খোঁজ খবর নিচ্ছেন তিনি। শুধু ফেনী-নোয়াখালীর বন্যা নয়, ২০২২ সালে সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যাতেও পলাশ বানভাসি মানুষের পাশে থেকে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন।
রবিবার বিকেলে চ্যানেল আই অনলাইনকে পলাশ বলেন, সবাই শুকনো খাবার ত্রাণ দিচ্ছে। আমি একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করে পাশে রয়েছি। একটি স্থানে পরিস্কারভাবে রান্না করে সেই খাবার নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে গিয়ে বন্যার্তদের খাওয়াচ্ছি। হাজারের কাছাকাছি মানুষকে নিজেরা রান্না করে খাইয়েছি। আগামী তিনদিন এভাবে চলবে। এর আগে আমার ভলেনটিয়াররা ফেনীতে ছিল, আজ (রবিবার) তারা কাজ করছে নোয়াখালীতে।
কেন রান্না করা খাবার? পলাশের ভাষ্য, প্রতিবার ২৫০/৩০০ জনকে রান্না করে খাওয়ানো হচ্ছে। শুকনা খাবার তো তারা পাচ্ছেই। ভারি বা ঘরের খাওয়ার স্বাদটা যেন পায়, সেই চেষ্টা রাখা হচ্ছে। এর আগে এতিমখানায় ইফতারি দিয়েছি। দেখেছি কিছু বাচ্চা ইফতারে কিছু খেয়ে বাকিটা রাতে খাওয়ার জন্য রেখে দিত। তাই আমরা খাওয়াচ্ছি এবং কোনো পাত্র থাকলে তাকে পরবর্তীতে খাওয়ানোর জন্যেও খাবার দিচ্ছি।
পলাশ জানান, বন্যা পরবর্তীতে পুনর্বাসনে সচেতন হওয়া জরুরি। তিনি বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরে সবচেয়ে বেশি রোগবালাই ছড়ায়। নারী শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকে। আমার ভাবনা সেদিকেও রয়েছে। বন্যা পরবর্তীতেও আমি ও আমার টিম সক্রিয় থাকবে।
পলাশ জানান, খুব বেশি মানুষ জানেনা তার এই ‘ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন’-এর কথা। তাই যেসব কার্যক্রম চলে ৮০ শতাংশের অর্থায়ন তিনি করেন। তবে পরিচিত কেউ যদি স্বেচ্ছায় ডোনেশন দেন সেটা গ্রহণ করা হয়।
পলাশ যেমনটা বললেন, রিসেন্ট আমেরিকা থেকে আমার পরিচিত আসিফ ভাই এবং ইয়াসিন ভাই, বন্ধু দিপু মালয়েশিয়া ফান্ড তৈরিতে সাহায্য করেছে। এভাবে স্বেচ্ছায় যারা ডোনেট করেন এগুলো আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ফাউন্ডেশন রয়েছে মোবাইল ব্যাকিংয়ের ফান্ড গঠন করে। কিন্তু আমি সেটা করি না। পরিচিতদের কনট্রিবিউশন এবং আমার নিজের চেষ্টায় বেস্ট আউটপুট দিতে চেষ্টা করি। এভাবে গত কয়েক বছর কাজ করে যাচ্ছেন ‘ডাকবাক্স’।
![{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"square_fit":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}](https://www.channelionline.com/wp-content/uploads/2024/08/polash-flood-area-750x536.jpg)







